নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্র সরকারের আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্রের কন্ঠরোধের প্রতিবাদে রেড রোডে বিআর আম্বেদকরের মূর্তির সামনে বুধবার বেলা ১২ টা থেকে ধর্না শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তাঁর ধর্নার শেষ দিন। এদিন সকাল ৯ টা থেকে ধর্না শুরু করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। চলবে সন্ধ্যে ৬ টা অবধি। ধর্নার দ্বিতীয় দিনে ছাত্র-যুবদের সঙ্গে গলা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী। রবীন্দ্র সঙ্গীতে নেতৃত্ব দিলেন ইন্দ্রনীল-বাবুলরা।
আরও পড়ুনঃ Lionel Messi: মেসিকে কিনতে হাত মেলাতে পারে মেজর সকার লিগের ২৯ টি ক্লাব! জল্পনা তুঙ্গে
গতকাল মধ্যরাত অবধি ধর্না মঞ্চে ছিলেন অরূপ বিশ্বাসরা। সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেনরা। এরপরে একে একে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা আসতে শুরু করেন। এব্লা গড়াতে উপস্থিত হয় ছাত্র যুবরা। রয়েছেন বীরবাহা হাঁসদা, জুন মালিয়া, দোলা সেন, সায়নী ঘোষ। রয়েছেন বিভিন্ন পুরসভার মহিলা কাউন্সিলররাও।

বেলা ১১ টা নাগাদ উপস্থিত হন ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। ইন্দ্রনীল সেন, বাবুল সুপ্রিয়রা হাজির হতেই রবীন্দ্র সঙ্গীতে ভরে উঠল ধর্না মঞ্চ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এরা যাদবপুর, প্রেসিডেন্সির ছাত্রছাত্রী। এঁরা বাবুল সুপ্রিয়, ইন্দ্রনীল সেনের নেতৃত্বে গান শোনাচ্ছেন। আর আমরা কোরাসে সাহায্য করছি। দুই পায়ে তাল মেলাচ্ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। মজার ছলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তবলা বাজাচ্ছেন অরূপ।
রবীন্দ্র সঙ্গীতে নেতৃত্ব দিলেন ইন্দ্রনীল-বাবুলরা, দ্বিতীয় দিনের ধর্নায় উপস্থিত অন্যান্যরাও

মূলত যে যে দাবিগুলিকে সামনে রেখে তৃণমূলের তরফে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তা হল বিজেপি সরকার ন্যায্য পাওনা থেকে বাংলাকে বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রের কাছে রাজ্য সরকারের প্রাপ্য ১ লক্ষ কোটি টাকা। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা, আবাস যোজনার বকেয়া টাকা নিয়েও সরব হয়েছেন তাঁরা। একইসঙ্গে গণতন্ত্রের কন্ঠরোধ ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির ব্যবহার নিয়েও সরব হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।



