কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর শুক্রবার নবান্নে আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে। কিন্তু সেই বৈঠক ইতিবাচক হয়নি। এমনটাই জানিয়ে দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে বৈঠকের নিটফল শূন্য। তাই আগামী দিনে আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
যোগ্যদের নিয়োগের দাবিতে টানা ৭৬৮ দিন ধরে ধর্না দিচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার সুর চড়িয়ে রাজপথ থেকে রাজভবন অভিযানে চাকরিপ্রার্থীরা। হামাগুড়ি দিতে দিতে রাজভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা লাগু করার জন্যে পথ আটকায় পুলিশ।
সমস্ত বিতর্কের মাঝেই ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুডিশিয়াল সার্ভিসেসে’ কর্মরত সদস্যদের জন্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। একাংশের জন্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ! ১৩ এপ্রিল এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিচারব্যবস্থা দফতর। ১ জানুয়ারি থেকে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের তরফে এই ঘোষণা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে।
জনজাতির স্বীকৃতির দাবিতে লাগাতার পথ ও রেল অবরোধ করে চলেছে রাজ্যের কুড়মি সমাজ। এর মাঝে মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেন কুড়মি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দল। মুখ্যসচিবের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করে তারা। সেখানে একাধিক দাবি তুলে ধরে কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
ফের পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের ডিএ মামলা। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানির কথা ছিল। কিন্তু বিচারপতিরা ব্যস্ত থাকার কারণে মামলার পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। আগামী ২৪ তারিখ মামলার শুনানি
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অবস্থান সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল সেনাবাহিনী। তাঁদের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশ মতো ওই জায়গায় অবস্থান কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা অগ্রাহ্য করেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। এখন শহিদ মিনার থেকে সরতে হবে, ডিএ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গেল সেনা।
মেয়েদের পোশাক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তাঁর এহেন মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি বাংলার শাসক দল তৃণমূল।