রাজ্যে বিরোধী পরিসরে একটি শুন্যতা তৈরি হয়েছে। কখনও কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে জোট করছে। কখনও সিপিএমের সাথে। সিপিএম কখনও বাংলায় তৃণমূলের বিরোধিতা করছে। আবার কখনও ইন্ডিয়া জোটে তারা একই মঞ্চে গিয়ে বসছে।
লোকসভার আগে বাঁকুড়ায় বিষম বিড়ম্বনায় বিজেপি! এর আগে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারকে পার্টি অফিসে তালাবন্ধ করেন দলের কর্মীরাই। এবার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের নামে নোংরা নোংরা কথা লিখে পোস্টার প্রকাশ্যে এল। আর পোস্টার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির চয়নপুর এলাকায়।
পঞ্চায়েতে বিরোধীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে! জানা গিয়েছে, তৃণমূলের নামাঙ্কিত পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের রানিনগরে। ওই পোস্টারে দাবি করা হয়েছে যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কেউ ভোট করানোর চেষ্টা করলে তাঁর ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল! শাসক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কাণ্ডের পিছনে বিজপি রয়েছে। ওরা ইচ্ছা করে এই সমস্তা করছে। পঞ্চায়েতে যে বিজেপি হার নিশ্চিত, সেটা জেনেই মানুষকে ভয় দেখাতে চেষ্টা করছে।" যদিওবা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ।
এরই প্রস্তুতি হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া এই পোস্টার বিশেষভাবে ইঙ্গিতবহ।ঘাসফুল শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের সুপ্রিমো এবং সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রে বদলের ডাক দিয়েছেন। এমন আবহে তৃণমূলের এই পোস্টার ঘিরে আম জনতার মধ্যে কৌতূহলের কোনও শেষ নেই।
এককালে বীরভূমে অনুব্রতর নামে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত! কোনও বিরোধীরাই না গলানোর সুযোগ পেত না। এক কথায় কেষ্টর ওপর দায়িত্ব দিয়েই নিশ্চিন্তে ছিল তৃণমূল! এখন সেই সব অতীত! বর্তমানে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিহাড়ে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আর এই সময় নাকি কেষ্ট-হীন বীরভূমে চাঙ্গা হয়ে উঠছে বিরোধীরা? এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ!
"চোর তাড়াও বেহালা বাঁচাও!" নাম না করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে 'চোর' আখ্যা দিয়ে পোস্টার পড়ল এলাকায়। সম্প্রতি বামেদের এমনই পোস্টার নজরে এসেছে বেহালায়। পোস্টারে নাম না থাকলেও, সেটি যে জেলবন্দি বিধায়কের নাম উল্লেখ করেই করা হয়েছে, সেটা বুঝতে কোনও অসুবিধা নেই।