গত বছর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির ছয় দিনের মাথায় তাঁকে মন্ত্রিত্ব সহ দলের সমস্ত পদ থেকে অপসারণ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো। দুজনের ক্ষেত্রে কেন এই পার্থক্য? জানালেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
রেশন দুর্নীতি মামলার গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তদন্তের মাধ্যমে পেঁয়াজের খোসার মতন একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হতেই তার বিপুল সম্পত্তির হদিস পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ইডি।
রেশন দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আর তাঁর গ্রেফতারীর পরেই একাধিকবার উঠে এসেছে পার্থ-অর্পিতা প্রসঙ্গ। তাছাড়াও জানা গিয়েছে যে, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত বাকিবুর প্রযোজিত ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন পার্থের বান্ধবী অর্পিতা। শুধু তাই নয়, বান্ধবীকে রাজনীতিতেও আনতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আজ মহাষষ্ঠী। এদিন পুজোর আনন্দ থেকে নিজেদের বঞ্চিত রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। শুক্রবার তাঁদের সঙ্গে দেখা করলেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানাল সিবিআই। এজেন্সির তরফে দাবি করা হয়েছে, তাঁদের হাতে কিছু নতুন তথ্য এসেছে যা এই তদন্তের নিষ্পত্তিতে সাহায্য করবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রয়োজন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে আরও একবার জিজ্ঞাসাবাদ। আর এই মর্মেই কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টে আদেদন জানাল সিবিআই।
গত বছর জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে গ্রেফতার হন তিনি। একবছরের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। জেলে থাকাকালীন একাধিকবার নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। কয়েকদিন আগেও সমস্যার কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন জেল কর্তৃপক্ষকে।
চার্জশিটে আগেই নাম ছিল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেহেতু মন্ত্রী ছিলেন, আর মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চার্জশিটে নাম দেওয়ার বা গ্রেফতারির ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেই কারণে যখন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নামে চার্জশিট পেশ করা হয়েছিল আগেই। সেই সময়েই রাজ্যপালের কাছে অনুমোদন চেয়েছিল সিবিআই।