৫৯৫ দিন জেলে থাকার পরেও তাঁর মক্কেলের বিচারপ্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেল সিবিআই।
সোমবার শুনানি হলেও রায়দানের জন্য আর সময় না থাকায় পুজোতে জামিন পাওয়া দুষ্কর হয়ে গেল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। ষষ্ঠী থেকে হাই কোর্টে পুজোর ছুটি শুরু হচ্ছে। আদালত বন্ধ থাকবে নভেম্বর পর্যন্ত। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আদালত খুললে পার্থদের মামলার রায়দান হতে পারে।
এর আগেও ১য়লা অক্টোবরে রিমান্ড লেটার পাঠিয়ে সিবিআই দাবি করে মানিক ভট্টাচার্য ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে একাধিক যোগ সাজস ছিল। একাধিকবার একে অপরকে ক্যান্ডিডেট লিস্ট আদান প্রদান করেছেন।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআর হাতে গ্রেফতারের পর একাধিক বার জামিনের আর্জি করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও গত শুনানিতে পার্থর আইনজীবী দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক প্রভাবশালীদের জামিন হলেও কেন তার মক্কেল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করা হচ্ছে না।
তাই কোনও নিয়োগের ক্ষেত্রেই মন্ত্রীর কোনও ভূমিকা ছিল না।” সিবিআইয়ের অবশ্য দাবি, নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ হয়েছে। পার্থকে জামিন দিলে তথ্যপ্রমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আদালতে আশঙ্কাপ্রকাশ করে তারা।
উল্লেখ্য, গত বছর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গ্রেফতারের পাঁচ দিনের মাথায় তাকে দলের সব পদ থেকে অপসারিত করেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছর গড়াতে যায় কিন্তু একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।