যারা ঘুষ দিয়েছিলেন ছোট, বড়, মেজ বা সেজ নেতাদের তাঁদের ঘুম উড়েছে একাধিক জনের চাকরি চলে যাওয়ায়। সংখ্যাটা যে ২৬৯ বা ৩০০ তে সীমাবদ্ধ নন তা জানেন সবাই। নিজের পাড়ার দিকে তাকান ১-২ জন মিলবেই। ওই সবে মিলে করি কাজের মতই বিষয়। অনুমানিক ৫০ হাজার শিক্ষক এই মুহুর্তে শিক্ষকতা করছেন যারা ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, বেলাইনে।
একই পরিবারের এতজন চাকরিজীবি জেলায় নজিরবিহীন। সিপিআই(এম) বরাবরই অভিযোগ করেছে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল। যেখানে মেধা এবং যোগ্যতা প্রাধান্য পায়নি। আবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সংখ্যাটা অনেক বেশি। এ বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে
শনিবার হলদিয়ার জনসভা থেকে এবিষয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বিচারব্যবস্থায় কিছু জন তল্পি বাহকের কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই দিয়ে দিচ্ছে। আপনার যদি মনে হয়, এই সত্যি কথা বলার জন্য ব্যবস্থা নেবেন।
দীর্ঘ্যদিন পর রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার বেলাইনে চাকরিপাওয়া নিয়ে একটি মামলায় নড়ে চড়ে বসে হাইকোর্ট। নজিরবিহীন ভাবে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। সিবিআই তদন্তের শুরুতেই ব্রেক থ্রু মেলে। চাকরি চলে যায় অঙ্কিতার।
তৃতীয়বার সরকার গঠনের এক বছর পালিত করছে তৃণমূল। কোনওভাবেই যাতে না পরিস্থিতি আলগা হয়, সেজন্য সব দিক থেকে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবারের পর ফের মন্ত্রীসভার জরুরী বৈঠকে মমতা।
ভাইরাল একটি অডিও ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। যেখানে বিনা পাশে দেদার নিয়োগ এবং সাদা খাতা জমা দেওয়া চাকরী প্রার্থীদের নিয়োগের বিষয়টি উঠে এসেছে। যদিও ভাইরাল সেই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি।