সোমবারই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্নের মুখে পড়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি ধমকের ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হতে না হতেই অনামিকার নিয়োগ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পর্ষদ।
ববিতা সরকারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন ওই পদের অন্যতম দাবিদার অনামিকা রায়। তাঁর দাবি, ববিতার প্রাপ্ত নম্বর ৬০ শতাংশ না হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফর্মে ৬০ শতাংশ লিখেছেণ। যে কারণে তাঁর অ্যাকাডেমিক স্কোর বেড়ে যায়। কিন্তু ববিতার থেকে অনামিকার নম্বর বেশি। এই মর্মেই ফের শুরু হয় মামলা। গত ১৬ মে হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ববিতার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। সেই চাকরি পান মামালকারিণী অনামিকা রায়। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন ববিতা।
একাধিকবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। এমনকি তাঁর বাড়িতেও হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এবার নিয়গ দুর্নীতি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী সহ মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে তলব করে ইডি। সেইমতো শুক্রবার মেয়ে অঙ্কিতাকে নিয়ে ইডি দফতরে পরেশ।
স্কুল সার্ভিস কমিশনে দুর্নীতির মাথা খুঁজতে উঠে পড়েছে ইডি এবং সিবিআই। আজ দিল্লী এবং কলকাতায় একযোগে ৬ টি স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। সূত্রের খবর, পরেশ অধিকারী এবং অঙ্কিতা অধিকারীকে জেরা করে কিছু তথ্য হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে সেই মামলা চলাকালীন সুকন্যার বিষয়টি তুলে ধরেন আইনজীবী। হলফনামার আকারে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন আদালতের কাছে। এরপরেই সুকন্যাকে তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে কী পরেশের সারীতে নাম অনুব্রতর? প্রশ্ন উঠেছে।
সম্প্রতি মন্ত্রীসভায় বিরাট রদবদলের সময়ে তাঁকে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতারা। রাত জেগে তথ্য পাচার করেছেন পরেশ অধিকারী।হৈ হৈ পড়ে গেল কোচবিহারে।