নজরবন্দি ব্যুরোঃ এমনিতেই গরুপাচার মামলায় চাপ বেড়েছে অনুব্রত মণ্ডলের। এরই মধ্যে মেয়ের চাকরী নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। অভিযোগ, পরীক্ষা না দিয়েই প্রাথমিক স্কুলে চাকরী করছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা। অভিযোগ, কোনদিনই স্কুলে যাননি সুকন্যা। এমনকি স্কুলের রেজিস্টার খাতা তৃণমূল জেলা সভাপতির বাড়িতে নিয়ে আসা হত সুকন্যার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। অভিযোগ শুনে বৃহস্পতিবারই অনুব্রত-কন্যাকে আদালতে তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ রোজগার নেই, আর্থিক কষ্টে ভুগছেন বিনোদ কাম্বলি, কাজের খোঁজে প্রাক্তন ক্রিকেটার
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে একাধিক মামলার শুনানি চলছে কলকাতা হাই কোর্টে। বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে সেই মামলা চলাকালীন সুকন্যার বিষয়টি তুলে ধরেন আইনজীবী। হলফনামার আকারে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেন আদালতের কাছে। এরপরেই সুকন্যাকে তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে কী পরেশের সারীতে নাম অনুব্রতর? প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ, ২০১২ সাল থেকে বোলপুরের কালিকাপুর প্রাইমারি স্কুলের দিদিমণি সুকন্যা। কিন্তু দীর্ঘদিন স্কুলে না গিয়েই বেতন নিতেন, এমনটাই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এমনিতেও অনেক দিন হল তাঁকে স্কুলে আসতে দেখছেন না স্থানীয়রা। সূত্রের খবর, বাবার গ্রেফতারের পর নিয়োগ-বিতর্ক এড়াতে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুকন্যা। আজ মামলাকারীর অভিযোগ, চাকরী যোগ দেওয়ার পর থেকে স্কুলে যেতেন না সুকন্যা।
এরপরেই আদালতের তরফে সুকন্যা সহ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিকজনকে তলব করা হয়েছে। আগামীকাল সকলকে তলব করেছে আদালত। নিয়োগ দুর্নীতি সকলের নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ।
পরেশের সারীতে নাম অনুব্রতর, চাকরি খোয়াতে পারেন সুকন্যা

এমনিতেই গরু পাচার মামলায় বুধবার অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের বাড়িতে যায় সিবিআই। সেখানে ১০ মিনিট থাকার পরেই বেরিয়ে আসেন চার জন আধিকারিক। সিবিআই সূত্রে, সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সুকন্যা কথা বলতে রাজি হননি। তাই আলাদা করে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁকে।



