নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূলে এসে বিরাট দুর্নীতি মামলায় জড়িয়েছেন তিনি। হাই কোর্টের নির্দেশে তাঁর গতিবিধি সিবিআইয়ের আতসকাঁচের তলায়৷ অভিযোগ, মেয়েকে বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন পরেশ৷ কিন্তু এই পরেশ বাম দূর্গে থাকাকালীন পরিবারের কম লোককে চাকরি পাইয়ে দেননি। সেই সংখ্যা মেরে কেটে ২৫ হবে। সেই ঘটনার সূত্রপাত বাম জমানায়৷
আরও পড়ুনঃ এবার জাল ডক্টরেটের হাত থেকে আসলরা সার্টিফিকেট নেবে, ‘আচার্য মমতা’কে তীব্র কটাক্ষ সুজনের।

এক সময় প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন পরেশ অধিকারী। বাম আমলে মেখলিগঞ্জে জনপ্রিয় নেতা। স্ত্রী মীরা অধিকারী সরকারী চাকরিজীবী। মেয়ে অঙ্কিতার চাকরী গেছে। ছেলে বেসরকারি একটি মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করেছে। এখন চ্যাংড়াবান্ধা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরী করছে৷
বাম জমানায় মোটেই ধোয়া তুলসীপাতা ছিলেন না পরেশ, জানেন কি কি করেছিলেন?

বাম আমলেও পরেশ বাবু মন্ত্রী এবং বিধায়ক পদে ছিলেন। সূত্রের খবর, পরেশ অধিকারীর তিন দাদা ও ভাই সরকারী চাকরি করতেন। পরেশ বাবুর বৌদি খাদ্য দফতরে চাকরি করতেন। ভাইঝি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। পরেশ অধিকারীর চার ভাইপোর মধ্যে একজন কলেজের ক্লার্ক, বাকি তিনজন কাজ করেন খাদ্য দফতরে৷

এখানেই ফিরিস্তি শেষ হয়নি। ভাগ্না, ভাগ্নি, দিদি বোন সকলকে চাকরি করিয়ে দিয়েছেন পরেশ অধিকারী। এমনটাই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, বাম আমল থেকেই পরিবারের একাধিক সদস্যদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। বিজেপির দাবী, গোটা বিষয়টা তদন্ত করা হোক। তাহলে দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে। এমনকি মেয়ে অঙ্কিতার মতো সকলকে বরখাস্ত করা হতে পারে।



