পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি ও মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই মামলা দায়ের করে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
তবে রাত্রি ১০টার সময় ডিউটি অফিসার আমাদের প্রতিনিধিদের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন। এই বাধার জন্যই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পাওয়ার পরই দ্রুত এখানে পৌঁছে যান সকলে।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা। স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে।
ক্ষোভ উগরে কমিশনকে কড়া চিঠি বিএসএফ কর্তার। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই রাজ্যে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু ভোটের সকাল থেকেই দেখা গেল অন্য ছবি। জেলায় জেলায় হিংসার ঘটনা, নানা অভিযোগ। খুন হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা। এসবের মধ্যে একটাই অভিযোগ আসছে, অধিকাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। বিএসএফ কর্তা তাঁর চিঠিতে কী জানালেন?
এক দফার পঞ্চায়েত ভোট শেষ হতে বাকি আর কিছুক্ষণ। এমন সময়ে বাংলায় এল কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবার বিকেলে গুজরাট থেকে বাহিনী আরামবাগে এসে পৌঁছায়। তাঁদের গন্তব্য মেদিনীপুর। কিন্তু এত অশান্তি-হিংসার ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শেষ বেলায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী এল, এত দেরি কেন এনিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
পঞ্চায়েতে দিনক্ষণ ঘোষণা হতে রীতিমতো সরগরম বাংলার রাজনীতি! এরপরেই মনোনয়ন পর্বে ফুটে ওঠে রাজ্যের একাধিক প্রান্তে হিংসার ঘটনা। কমিশনকে একাধিক হুঁশিয়ার, রাজ্য পুলিশের ব্যর্থতা ও সন্ত্রাস রুখতে বিরোধীদের আর্জি মেনে নিয়ে রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু তাতেও খুব একটা সুফল মেলেনি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন অশান্তির ঘটনায় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের হিসেব চাইল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এনিয়ে কটাক্ষ করতে পিছু পা হয়নি বিরোধীরা। আজ সকাল থেকে একের পর এক অশান্তি হলেও 'খোঁজ' ছিল না রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার। কমিশনে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়, লাগাতার ফোন আসায় নাজেহাল অবস্থা হয় আধিকারিকদের কিন্তু কমিশনারের দেখা পাওয়া যায়নি। অবশেষে দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা পর পদক্ষেপ করলেন তিনি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের শুরু থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্তি ছড়িয়েছে। জেলায় জেলায় লাগামহীন সন্ত্রাসে অগ্নিগর্ভ বাংলা। ছাপ্পা ভোট, ব্যালট ভাঙচুর সহ শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এবার সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি।