নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতে দিনক্ষণ ঘোষণা হতে রীতিমতো সরগরম বাংলার রাজনীতি! এরপরেই মনোনয়ন পর্বে ফুটে ওঠে রাজ্যের একাধিক প্রান্তে হিংসার ঘটনা। কমিশনকে একাধিক হুঁশিয়ারি, রাজ্য পুলিশের ব্যর্থতা ও সন্ত্রাস রুখতে বিরোধীদের আর্জি মেনে নিয়ে রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু তাতেও খুব একটা সুফল মেলেনি।
এদিন ভোট পর্বের শুরু থেকেই রাজ্যের একের পর এক জায়গায় সংঘর্ষ, বোমাবাজি, এমনকি গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে! শুধু তাই নয়, সকাল থেকে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন একটাই, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করার পরেও রাজ্যের একাধিক প্রান্তে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে। এই সমস্ত ঘটনায় কমিশনারের সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। এহেন পরিস্থিতিতে কোথাও চলছে ছাপ্পা, কোথাও বা ভোট দিতে পারছেন না সাধারণ জনগণ।

এদিকে, সকাল থেকেই নানা অশান্তিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাসন্তীতে। সেখানে দুই পক্ষ অর্থাৎ তৃণমূল ও সিপিআইএমের মধ্যে প্রথমে বচসা বাধে। এরপরেই বচসা বাড়তে থাকলে গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরেই এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগ উঠে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। আর এই বোমাবাজির ঘটনায় মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতার। জানা যাচ্ছে, বাসন্তীর ফুল মালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০৩ নম্বর বুথ ফুল মালঞ্চ প্রাথমিক স্কুলের ঘটনা। তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজির করেছে সিপিএম। বোমার আঘাতে মৃত্যু আনিসুর অস্তাগারের। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় বাসন্তী থানার পুলিশ বাহিনী।

উল্লেখ্য, রাজ্যে একের পর এক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে শাসকদলের হেভিওয়েট নেতাদের! পঞ্চায়েত ভোটের আগেই যার জেরে অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল। তবে দুর্নীতি গোড়া থেকে উগড়ে ফেলতে প্রায় দুমাস জেলায় জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচি আয়োজিত করেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পিছিয়ে থাকেনি বাকি রাজনৈতিক দলগুলি। সভার পাল্টা কর্মসূচি, হুংকারের বদলে হুঁশিয়ারি!! কিন্তু কে জিতবে এই ত্রিস্তরীয় নির্বাচন? শেষ হাসি হাসবে কারা? আজ রায় দেবে গ্রামবাংলা!
উত্তপ্ত বাসন্তী! CPIM-র বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ, মৃত তৃণমূল নেতা




