নজরবন্দি ব্যুরো: ক্ষোভ উগরে কমিশনকে কড়া চিঠি বিএসএফ কর্তার। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই রাজ্যে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু ভোটের সকাল থেকেই দেখা গেল অন্য ছবি। জেলায় জেলায় হিংসার ঘটনা, নানা অভিযোগ। খুন হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা। এসবের মধ্যে একটাই অভিযোগ আসছে, অধিকাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। বিএসএফ কর্তা তাঁর চিঠিতে কী জানালেন?
আরও পড়ুন: বাংলার পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি! সুকান্তকে ফোন BJP-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের


কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায় কীভাবে মোতায়েন করা হবে তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বিএসএফের আইজি পদমর্যাদার অফিসারকে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। শনিবার দুপুরে তিনিই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে চিঠি পাঠিয়ে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, “বাহিনীর জন্য নূন্যতম ব্যবস্থা করা হয়নি। ফোর্সের সঙ্গে যোগাযোগ করাও যাচ্ছে না।” বহু জায়গায় বাহিনীর জওয়ানরা গাড়ি পায়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। বিএসএফ কর্তার এই চিঠির পর নড়েচড়ে বসেছে কমিশনের অফিসাররা। তবে ভোট যেখানে শেষের মুখে, সেইসময়ে ফোর্স মোবিলাইজেশন বাড়িয়ে বিশেষ সুবিধা হবে না বলেই অনুমান।

রাজ্য নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ৮২২ কোম্পানি চাওয়া হলেও শনিবার পর্যন্ত ৬৫০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসেছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোটের প্রথমার্ধে ভোটদানের হার ছিল ২২.৬০ শতাংশ। দুপুর ৩ টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ৫০.৫৩ শতাংশ। বেলাগাম হিংসার প্রসঙ্গে রাজীব সিনহা বলেন, ‘অপরাধ ঘটলে প্রথমে মামলা দায়ের হয়। তারপর তদন্ত এবং গ্রেফতারি। আশা করি পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। ঘন ঘন অভিযোগ আসছে। প্রায় ৬০০ মতো অভিযোগ সামনে এসেছে। কমিশন এগুলির সমাধান করবে।’



এদিকে শনিবার ভোট শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। এদিন বিকেলে দুটি বাস বর্ধমান থেকে আরামবাগ আসে। গুজরাট পুলিশের গন্তব্য মেদিনীপুর। কিন্তু আরামবাগ থেকে মেদিনীপুর পৌঁছাতে যে সময় লাগবে তার মধ্যে ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এত অশান্তি-হিংসার ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শেষ বেলায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী এল, এত দেরি কেন এনিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
বাহিনীর জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থাও করা হয়নি, ক্ষোভ উগরে কমিশনকে চিঠি বিএসএফ কর্তার








