কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এমন আশঙ্কা করেই আগে থেকে শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
নির্দেশ মেনেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে। সেইমতই রাজি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাহিনী পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। এনিয়েই এদিন আদালতে মামলাকারী প্রশ্ন করেন, 'কমিশন কেন এভাবে চোখ বুজে থাকছে? মাত্র ১৭০০ জওয়ান চাওয়া হয়েছে। তারা ৬ জুলাই থেকে কাজ করবে।’
মেডিক্যাল অফিসারদের ভোটের কাজে নিয়োগ করা হতে পারে, সেই নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। সম্ভবত সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে নির্দেশিকা জারি করা হয়ে থাকতে পারে।
পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট হবে, মঙ্গলবার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপর থেকেই তৎপর হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রে খবর, শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরই প্রতি জেলায় দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইতে পারে কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কপি এলেই প্রয়োজনীয় আবেদন করা হবে বলে খবর।
নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা তাঁকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বঙ্গে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন! আর এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ঘিরে ইতিমধ্যেই ময়দায়ে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। অন্যদিকে, আগের দুই বারের মতোই এই বারেও মনোনয়ন পর্বে রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে অশান্তির প্রকাশ্যে এসেছে। পাশাপাশি এমনও অভিযোগ উঠেছে যে, সন্ত্রাসের জেরে অনেক বুথে মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিজেপি। এমনকি অনেক সংখ্যাগুরু বুথেও প্রার্থী দিতে পারেনি গেরুয়া শিবির।
গত সপ্তাহে ঠাকুরনগরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আদালতে শান্তনু ঠাকুরের অভিযোগ, অভিষেক কাউকে না জানিয়ে মতুয়া মহা সঙ্ঘের মন্দিরের সামনে মিছিল করেন। তৃণমূলের দলবল নিয়ে মন্দিরে ভিড় করেন। এমনকি ভক্তদের অভিষেকের সমর্থক ও লোকেরা হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ। এনিয়ে প্রশাসনকে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি বিজেপি সাংসদের।