নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। শুনানিতে বিভিন্ন প্রসঙ্গে আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হচ্ছে রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। এবার নির্বাচন কমিশনারকে কড়া বার্তা দিলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। বুধবার একটি মামলার শুনানিতে এমন বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: ভোট ঘিরে হিংসার অভিযোগে বিরক্ত আদালত, নির্বাচন বন্ধ করা উচিত, বললেন ক্ষুব্ধ বিচারপতি


কলকাতা হাইকোর্ট পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কমিশন সুপ্রিম কোর্টে গেলেও বিশেষ সুবিধা হয়নি। হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে শীর্ষ আদালত। ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ মেনেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে। সেইমতই রাজি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাহিনী পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। এনিয়েই এদিন আদালতে মামলাকারী প্রশ্ন করেন, ‘কমিশন কেন এভাবে চোখ বুজে থাকছে? মাত্র ১৭০০ জওয়ান চাওয়া হয়েছে। তারা ৬ জুলাই থেকে কাজ করবে।’

প্রধান বিচারপতি এনিয়ে কমিশনকে জানায়, “কেবল নির্বাচনের দিন নয়, হাইকোর্ট গোটা নির্বাচনের জন্যই নির্দেশ দিয়েছিল।” পাশাপাশি আদালতের পর্যবেক্ষণ, “২২ জেলার ভোটের জন্য ১৭০০ জওয়ান পর্যাপ্ত নয়। একদিনে নির্বাচন সামাল দেওয়া মুশকিল হয়ে যাবে।” এছাড়াও বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাহিনী নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করতে হবে।



উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দেয় আদালত। নির্দেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রের কাছে বাহিনী পাঠানোর আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, সময় পেরিয়ে গেলেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন জানায় গোটা রাজ্যের ২২ টি জেলায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছে তারা। এরপরই শুরু হয় সমালোচনা। বিরোধীদের দাবি উঠছে, গোটা রাজ্যে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ ২০০০ জওয়ান থাকা না থাকার সমান।
রাজ্যপাল নতুন কমিশনার নিয়োগ করবেন, কমিশনারকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের








