নির্বাচন কমিশনের চিঠির পর কেন্দ্রের তরফে ৩১৫ কোম্পানি পাঠানো হচ্ছে বলে জানানো হয়। এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দিয়ে ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর আর্জি জানায়। সূত্রে খবর, কেন্দ্র জানিয়েছে যে ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে ২০০ কোম্পানি সশস্ত্র বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে ৫০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি আইটিবিপি, ১৫ কোম্পানি সিআইসিএফ, ৬০ কোম্পানি বিএসএফ, ২৫ কোম্পানি এসএসবি এবং ২০ কোম্পানি আরপিএফ। ১২ টি রাজ্য থেকে স্পেশাল আর্মড ফোর্স আসছে আরও ১১৫ কোম্পানি। এছাড়া ২২ কোম্পানি আগেই পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর পক্ষেই রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট। এবার ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর অফিসারদের নাম ও ফোন নম্বর প্রকাশ করা হল। ভোটে যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অভিযোগ পেয়েই ব্যবস্থা নিতে হবে জওয়ানদের। এনিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
পঞ্চায়েত মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশের পরই ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি কমিশনের। ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এর আগে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
বুধবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি রাজীব সিনহাকে তাঁর পদ থেকে সরে যেতে হবে? বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের নাম না নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশনার পদটিও সাংবিধানিক পদ। তাঁকে শপথ নিতে হয়। এভাবে যা খুশি তাই করা যায় না। সেইসঙ্গে রাজনৈতিকভাবে এও বার্তা দিতে চেয়েছেন, এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্যাঁচে ফেলা যাবে না।"
নজরবন্দি ব্যুরো: ফের কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে কার্যত অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কমিশনকে বিঁধে একাধিক প্রশ্ন...