নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসার আগেই বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের প্রতিবাদের জেরে রণক্ষেত্র আকার ধারণ করে মতুয়াধাম। একের অপরকে বিঁধে নানা আক্রমণ শানিয়েছেন দুই সাংসদই। এবার ঈই অশান্তির জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন শান্তনু ঠাকুর।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে এবার সিপিএম প্রার্থী নিহত আনিস খানের দাদা
গত সপ্তাহে ঠাকুরনগরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আদালতে শান্তনু ঠাকুরের অভিযোগ, অভিষেক কাউকে না জানিয়ে মতুয়া মহা সঙ্ঘের মন্দিরের সামনে মিছিল করেন। তৃণমূলের দলবল নিয়ে মন্দিরে ভিড় করেন। এমনকি ভক্তদের অভিষেকের সমর্থক ও লোকেরা হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ। এনিয়ে প্রশাসনকে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি বিজেপি সাংসদের।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ওইদিনের ঘটনায় পুলিশের তরফে মন্দির কমিটি সহ ভক্তদের বিরুদ্ধে পাঁচটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন একাধিক ভক্তজন। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা দায়েরের অনুমতিও মিলেছে। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার (২০ জুন) এই মামলার শুনানি রয়েছে।

জানা গিয়েছিল, ঠাকুরনগরের মতুয়াধামে পুজো দেওয়ার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সকাল থেকেই তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা মন্দির চত্বর সাজানো শুরু করেন। কিন্তু দুপুরের পর থেকেই মতুয়াদের একাংশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তৈরি তোরণ ভেঙে ফেলা হয়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গেলে মূল মন্দিরের ফটক বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরফলে বিকেলে ঠাকুরনগর এসে মূল মন্দিরে যেতে পারেননি অভিষেক। পাশের মন্দিরেই পুজো দেন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে শান্তনু ঠাকুরকে আক্রমণ করে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড বলেছিলেন, “মতুয়াধাম কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আমি তিন মাস পর আবার আসব। পারলে আটকান।”
মতুয়াধামের অশান্তির জল গড়াল আদালতে, কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল মামলা




