নজরবন্দি ব্যুরো: গত বছর ছাত্র নেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যু রাজ্য-রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। বছর ঘুরে গেলেও নিহত যুবকের মৃত্যুর আসল কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে ফের একবার খবরের শিরোনামে উঠে এল আনিসের পরিবার। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে আনিসের দাদা সামসুদ্দিন খান সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়বেন।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রাজ্যের আর্জি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট, কবে শুনানি?


সূত্রে খবর, সামসুদ্দিন খানকে কুশবেড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রার্থী করা হয়েছে। আমতা ২ নম্ব্র ব্লকের বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে প্রচার শুরু হয়েছে। বড় ছেলের হয়ে দেওয়াল আঁকছেন বাবা সালেম খান। প্রসঙ্গত, আনিস ও সামসুদ্দিনের বাবা বাম ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। অন্যদিকে অভিযোগ উঠছে, সিপিএম প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই আনিসের দাদা সামসুদ্দিনকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যদিও এসবের তোয়াক্কা না করেই পঞ্চায়েত ভোটে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত অনড় সামসুদ্দিন। তার প্রস্তুতিও চলছে জোরদার।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গভীর রাতে আনিস খানের বাড়িতে হানা দেয় কয়েকজন পুলিশকর্মী। এরপরই বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ছাত্রনেতার। পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনে পরিবার। আনিসের রহস্যমৃত্যু নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। আদালতের নির্দেশেই কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত হয় তাঁর। এই ঘটনার পর একাধিক সিপিএম নেতৃত্বকে আনিসের বাড়িতে দেখা গিয়েছিল। মহম্মদ সেলিম সহ অনেকেই নিহত ছাত্রনেতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।



উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে শেষবারের পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার আগুনে জ্বলেছিল বাংলা। ২০২৩ সালে নির্বাচনের ঘোষণার পর থেকেই বাংলায় অশান্তির ছবি সামনে আসছে। এরপরই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
পঞ্চায়েতে এবার সিপিএম প্রার্থী নিহত আনিস খানের দাদা, চলছে প্রচার, দেওয়াল লিখন








