ভোটের মুখেই রাজ্যকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। পঞ্চায়েতের প্রচারে শাসক দলের নেতারা একাধিকবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। এরইমধ্যে অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্র। কোন খাতে যাবে এই টাকা?
গত বুধবার তৃণমূলের তরফে যে প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে নাম ছিল যুব সভানেত্রীর। কিন্তু তাঁকে প্রচারে অংশ নিতে দেখা যায়নি। গত বৃহস্পতিবার ঈদ থাকায় প্রচারে নামেননি। শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ায় গতকালও প্রচার কর্মসূচি থেকে দূরেই ছিলেন সায়নী। কিন্তু শনিবারও তালিকা থেকে বাদ পড়লেন তিনি। এনিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা।
আগামী মাসেই রাজ্যসভার নির্বাচন। বিধায়কদের ভোটাধিকার রয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া তিন বিধায়ক অংশ নিতে পারবেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবনকৃষ্ণ সাহা, জেলবন্দি থাকলেও তাঁদের বিধায়ক পদ অব্যাহত রয়েছে। তাই রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচনে তাঁদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে তাঁদের আদালতে আবেদন করতে হবে। সেই আবেদন মঞ্জুর হলে ভোট দিতে যাবেন তাঁরা।
তিনি দাবি করেন, "আমি এক কথার ছেলে, যা বলি তাই করি। আমি দিল্লির কাছে কোনওদিন বশ্যতা শিকার করব না। পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হওয়ায় একমাসের মধ্যে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে আন্দোলন করব।"
কয়েকদিন আগেই নবজোয়ার কর্মসূচি শেষ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি মন দিয়েছেন পঞ্চায়েতের প্রচারে। শুক্রবার পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনিতে রয়েছেন অভিষেক। এদিন প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ সভা করবীন। এরপর সাধারণ মানুষ এবং দলীয় কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন। আগামীকালই উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন তৃণমূলের সেকেন্ড কমান্ড।
শুক্রবার বীরভূমে আরও ১৪ জনকে বহিষ্কার করা হল। বোলপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায় চৌধুরী এবং অভিজিৎ চৌধুরী সিংহ জানান, নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করার জন্য আগেই ৩০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যত বড় নেতা হোক না কেন দলের বিরুদ্ধে গেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।