আগামী শনিবার রাজ্যে হাইভোল্টেজ পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে পারে আদালতে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থেকে শুরু করে স্পর্শকাতর এলাকার চিহ্নিতকরণ- নানা বিষয় উল্লেখ করা থাকতে পারে রিপোর্টে।
পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ব্যবহার করছেন নির্দল প্রার্থী। প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের বলছেন তাঁকে ভোট দিতে। এ কী কাণ্ড! হচ্ছে টা কী? রবিবার এমন দৃশ্য দেখা গেল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
"রাহুল গান্ধি পটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে বলছে এক সাথে চলব। আর এখানে, তাদের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে৷ অধীর চৌধুরী বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট৷" পাটনার বিরোধী বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে 'বিজেপির এজেন্ট' বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
আসন দখলে আনতে মালদহ জেলায় জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে শাসক শিবির। লোকসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে মালদহের রতুয়া ও হরিশ্চন্দ্রপুর আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে আরও বেশি আসনে জয় পেতে মরিয়া তারা।
রাতের অন্ধাকারের সুযোগ নিয়ে কেউ বা কারা তাঁকে গুলি করে পালায়। এদিকে গুলির আওয়াজে হুলস্থূল পড়ে যায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখেন মাটিতে পড়ে রয়েছেন ওই তৃণমূল কর্মী। মাথায় গুলি লেগেছে তাঁর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। দ্রুত তাঁকে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। শুক্রবার ইডি দফতরে দু দফায় ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে আসেন তিনি। রাত পোহাতেই শনিবার তৃণমূলর পঞ্চায়েতের প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে নাম নেই সায়নীর। এনিয়ে চলে বিস্তর জলঘোলা। ইডির তলবের কারণে তারকা সদস্যকে বাদ রাখল শাসক দল? তবে সব প্রশ্নের উত্তর নিজেই দিলেন সায়নী ঘোষ।