এবার আনিসের বাবার সঙ্গে কথা বলতে গেলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। আনিস খানের বাড়িতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গেলেও সিটের ওপর ভরসা নেই। বরং সিবিআই তদন্তের দাবীতে অনড় থাকছেন আনিসের পরিবার।
সিট নয়, বরং সিবিআই তদন্তের দাবীতে সরব হয়েছে আনিসের পরিবার এবং গ্রামবাসী। এরই মধ্যে আনিস খানের দাদাকে ফোনে খুনের হুমকি। সিবিআই তদন্ত চাইলে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। রাত ১ টা নাগাদ আসা ফোন ঘিরে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে।
সময়ের সঙ্গে বাড়ছে আমতায় ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার উত্তাপ। বেলা গড়াতেই সেখানে উপস্থিত হলেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। রাজ্য সরকারের অংশগ্রহণ ছাড়া স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। ঘটনাস্থলে পৌছে জানালেন তিনি।
শুক্রবার হাওড়ার আমতায় ছাত্রনেতার মৃত্যু ঘিরে হুলুস্থুল পরিস্থিতি। সকাল বেলায় পুলিশ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীরা। এরপরেই হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে ডেকে পাঠানো হল ভবানীভবনে।
অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় এবার সক্রিয় হয়েছে সিবিআই। ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ জনের মাথার দাম ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পলাতক পাঁচ অভিযুক্তদের খোঁজ দিলেই মিলবে নগদ টাকা। শুক্রবার বিজ্ঞাপন দিয়ে তা ঘোষণা করেছে সিবিআই।
'মেরে জান খতরে মে'! খুন হওয়ার আগে স্বামীর শেষ বার্তা স্ত্রীকে। সেই বার্তা পেয়েই স্বামীকে ফোন করেন মহিলা। কিন্তু তাঁর আর কোনও সাড়া পাননি। ফোন বন্ধ ছিল। স্বামীর বিপদ আঁচ করতে পেরে একটা অজানা আতঙ্ক ঘিরে ধরেছিল তাঁকে। বাপেরবাড়িতে ছিলেন মহিলা। সেই বার্তা পেয়ে তড়িঘড়ি লিলুয়ার দাসপাড়ায় শ্বশুড়বাড়ি ফেরেন তিনি।
সন্তানকে নিয়ে বচসা, স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী। সাত বছরের শিশুকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ। আর সেই বিবাদ থেকেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দম্পতি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। অন্যদিকে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভরতি স্ত্রী। রবিবার রাতের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাগরদিঘি থানার অমৃতপুর এলাকায়।