নজরবন্দি ব্যুরোঃ যে সন্তান ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায় সেই বাবা-মায়ের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াল, কিন্তু কেন? কি এমন হয়াছিল? সাত বছরের সন্তানকে নিয়ে শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর বচসা। তার জেরেই অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দম্পতি (Couple Attack each other with knifes due to Marital discord)। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্বামীর, হাসপাতালে স্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ টিকা ছাড়া কাজ নয়, ঘোষণা চা বাগান মালিক সংগঠনের


সাত বছরের শিশুকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ। আর সেই বিবাদ থেকেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দম্পতি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। অন্যদিকে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভরতি স্ত্রী। রবিবার রাতের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাগরদিঘি থানার অমৃতপুর এলাকায়। মৃতের নাম মুরসেলিম শেখ। অন্যদিকে আহত রঙ্গিলা বিবি ভরতি সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পেশায় রাজমিস্ত্রি মুরসেলিম শেখ শুক্রবার কলকাতা থেকে বাড়ি ফেরেন। এসেই তিনি জানতে পারেন স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে গিয়েছেন। শনিবার রঙ্গিলা বিবি ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরতেই তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু হয় মুরসেলিমের। প্রতিবেশীদের দাবি, রবিবার সকাল থেকেই ওই দম্পতির মধ্যে কথা কাটাকাটি ক্রমশ বাড়ছিল। রবিবার রাত দশটা নাগাদ দু’জনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল বচসা। এক পর্যায়ে ধারালো ছুড়ি নিয়ে পরস্পরের উপর হামলা চালান তাঁরা। সেই অস্ত্রের আঘাতেই মৃত্যু হয় মুরসেলিম শেখের। অন্যদিকে ক্ষতবিক্ষত রঙ্গিলা বিবিকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় মানুষজন।
সন্তানকে নিয়ে বচসা, স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী

যদিও আরেক স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, মুরসেলিম নিজেই নিজের শরীর ক্ষতবিক্ষত করেছেন। আর সেই আঘাতের জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে রবিবার রাতেই অমৃতপুর গ্রামে পৌঁছায় পুলিশ। আপাতত পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তারা।









