কসবা ল কলেজে ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ছাত্র পরিষদ নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘‘আইন না থাকলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে গুলি করতাম।’’
এবারে, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে এমন তীব্র মন্তব্যের ফলে পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। মহুয়া মৈত্র ও মানিক ভট্টাচার্যর মধ্যে এই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে আরো জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তৃণমূল কংগ্রেসের মতো বড় দলের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় স্তরের নেতাদের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহুয়া মৈত্র ও বিধায়কদের মধ্যে চলা এই সংঘাত নদিয়া জেলার তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে।
এর আগেও বহুবার সীমান্তে গরু পাচার সংক্রান্ত মামলায় বিএসএফের নাম তুলে ধরেছে রাজ্যের শাসক দল। কিছুদিন আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই গরু পাচারে বিএসএফ ও সিআইএসএফ-কেই দায়ী করেছিলেন।
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রবিবার দলের প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের হয়ে কৃষ্ণনগরে সভা করেন তিনি। এদিন তাঁর কপালে ব্যান্ডেজ দেখা যায়নি। তবে চোটের দাগ অনেকটাই স্পষ্ট। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। কী বললেন তৃণমূল নেত্রী?
সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সংসদের এথিক্স কমিটি৷ সেই মতো মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত বছর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়৷