বিজেপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে সমান দূরত্ব। শুক্রবার অখিলেশ যাদব ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক যেন সেটারই ইঙ্গিত দিল। শুক্রবার কালীঘাটে মমতা ও অখিলেশের বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। এমনটাই সূত্রে খবর। বিজেপি যেভাবে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে লড়াইয়ের চেষ্টা করছে, এত সহজভাবে চেহড়ে দিতে রাজি নয় অন্যান্য বিরোধী দলগুলি।
গতকালই বঙ্গ সফরে এসে ২৫ এর টার্গেট স্থির করে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এরপর দুই দিনের কার্যকারিণী বৈঠকে বসল বঙ্গ বিজেপি। দুর্গাপুরে দুই দিনের বৈঠক হবে এক হোটেলে। লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ২৫ টি আসন চায় কেন্দ্রের নেতারা। সেই নিয়েই বৈঠক বসছে বঙ্গ বিজেপি।
মেগা নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দিচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। সেইমতো দলের টার্গেট স্থির করে দিল রাজ্য বিজেপিও। কিন্তু সেখানেও মতবিরোধ দেখা দিল শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে। তাতেই বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ফাটল কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল।টার্গেট আসন নিয়েও ভিন্ন সুর দিলীপ-সুকান্তর।
বিজেপি সভাপতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপি যদি ২৫ টি আসন পায় তাহলে আমি কান ধরে ওঠবোস করব। একইসঙ্গে তাঁর পাল্টা বক্তব্য বিজেপির ২৫ টি আসন না পায় তাহলে রাজনীতি ছাড়তে হবে তাঁকে। লোকসভায় এবার শূন্য পাবে বিজেপি।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হলেও তা এখনও কার্যকর কেন হল না? এই প্রশ্ন আগে থেকেই তুলেছিলেন বিজেপির মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত নেতারা। এবার সেই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা একধাপ বাড়ালেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম অরকার। তাঁর কথায়, ২৪ আগে উদবাস্তুদের নাগরিকত্ব না দিতে পারলে ২৪ নির্বাচনে চাপ রয়েছে বিজেপির।
কনফিডেন্ট হয়েই লড়াই ঘোষণা করেছেন হিমাচল প্রদেশ এবং গুজরাতে। আপের এই বিস্তারে অঙ্ক কষছেন রাজনৈতিক কারবারিরা। ২৪ এর লড়াই কি কেজরি বনাম মোদি? আপাতত বিষয়টা জনতার ওপরেই ছেড়ে দিতে যান আপ প্রধান।