এই সাসপেন্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ বাড়ছে পুলিশের নিচু তলায় বলা জানিয়েছে সূত্র। সূত্রের খবর, নিচুতলার পুলিশ কর্মীরা সবসময় ওর্ডার মানেন উপর তলার, সে যতই সরকারিভাবে না আসুক না কেন। কিন্তু কোন কারনে বিপদে পড়লে নিচুতলার পুলিশ কর্মীদেরই সমস্যার মুখে পড়তে হয়।
তবে এর পেছনে কি ঘটনা তা খতিয়ে দেখছে তপশিয়া থানার পুলিশ। রাতের কলকাতায় যদি দুষ্কৃতীদের হাতে একাধিক পুলিশ কর্মী নিগৃহীত এবং আহত হন তবে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে কলকাতার সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে মহিলাদের কাছে কতটা সুরক্ষিত।
কলকাতা পুলিশের নিচুতলার কর্মীদের তরফে সবমিলিয়ে ১৪ দফা দাবি ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে উচুতলার কর্মীদের। সব মিলিয়ে জটিলতা তুঙ্গে। এবার থেকে যে আর হোয়াটসঅ্যাপ কলে দেওয়া নির্দেশ নিচুতলার কর্মীরা আর নেবেন না তা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
কেন না, আরজি করের ঘটনা না ঘটলেও কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে বিনীত গোয়েলকে সরানোর কথা চলছিল। তা ছাড়া এ বছর ৩১ ডিসেম্বর পুলিশ কমিশনার পদে বিনীতের তিন বছরের মেয়াদও শেষ হয়ে যেত।
আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে গোটা রাজ্যে। আর মাত্র পাঁচ দিন পর পূর্ণ হবে ঘটনার একমাস। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই। কিন্তু কেন চেস্ট মেডিসিন বিভাগের এই চিকিৎসককে খুন করা হল তা নিয়ে রয়েছে অনেক প্রশ্ন! এখনও সমস্ত রহস্যের কিনারা করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার তাঁরা লালবাজারে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে শংসাপত্র জমা দিতে চান। কিন্তু বাধা দেয় পুলিশ। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে ন'ফুট লম্বা ব্যারিকেড তৈরি করে দেওয়া হয়। যদিও তাতে দমে যাননি আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা। রাতভর তাঁরা রাজপথে বসে থাকেন এবং অবশেষে তিন দফা বৈঠকের পর মঙ্গলবার দুপুরে ব্যারিকেড তুলে নিতে বাধ্য হয়ে পুলিশ।