আগামী ১০ তারিখ কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন। সোমবার ছিল নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন। ওইদিনই বিশাল রোড শো করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। অসংখ্য কর্মী সমর্থকরা জমায়েত করে। রোড শো শেষে কংগ্রেস নেত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, "আমরা আশাবাদী। আমি নম্বরের ভবিষ্যৎবাণী করতে পারি না। কিন্তু আমরা মানুষের সাড়া পেয়েছি। কর্ণাটকের মানুষ দুর্নীতির শেষ দেখতে চায়।"
সনিয়া গান্ধীর মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শোভা করন্দলাজে এই মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন। এছাড়া, কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আর্জিও করা হয়েছে।
কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে ক্ষমতায় এলে বজরং দল নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এনিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। বিজেপি এই ইস্তেহারকে হিন্দু বিরোধী বলেও কটাক্ষ করে। নরেন্দ্র মোদী হাত শিবিরকে নিশানায় এনে বলেছিলেন, কংগ্রেস ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। আগামী ১৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়।
আগামী ১০ মে কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন। শেষ মুহূর্তের প্রচার চলছে রাজনৈতিক দলগুলির। আগামী ১০ মে কর্ণাটকের ২২৪ টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ফল প্রকাশ হবে ১৩ মে। বিজেপি কি ফের ক্ষমতায় ফিরবে? মণিপুর ইস্যুতে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকারকে কটাক্ষ করেছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম।
মণিপুর ইস্যু সামনে এনেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, "মণিপুরের ডবল ইঞ্জিন সরকারের পরিণতি কি হয়েছে তা দেখা যাচ্ছে। দুটি ইঞ্জিনই ব্যর্থ। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ভেঙে পড়েছে রাজ্য সরকার।" তিনি আরও বলেন, "কর্ণাটকের ভোটারদের সতর্ক হওয়া উচিত! ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রতিশ্রুতি মেনে নেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখতে হবে।"
কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহার নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এর প্রতিবাদে বিজেপি নেতা কে এস ঈশ্বরাপ্পা কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহার পুড়িয়ে দেন।
কংগ্রেসের ইস্তেহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি ও সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কংগ্রেস।