কালীঘাটের কাকুর গ্রেফতারির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই শহরে এলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থাৎ ইডির প্রধান সঞ্জয় মিশ্র। কিন্তু কেন আচমকা বাংলায় হাজির ইডি প্রধান? ইডির প্রধানকে ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে ধোঁয়াশা! জানা যাচ্ছে, বেশকিছুটা ব্যস্ততা নিয়েই কলকাতায় এসেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থাৎ ইডির প্রধান সঞ্জয় মিশ্র। কিন্তু কতদিন তিনি কলকাতায় থাকবেন, তা এখনও জানা যায়নি।
বুধবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়ির বাইরের ডাস্টবিন থেকে কিছু ছেঁড়া কাগজ উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলিকে আর্থিক লেনদেনের নথি বলেই প্রাথমিক অনুমান। কাগজগুলিতে লেখা রয়েছে কয়েকলক্ষ টাকার লেনদেনের হিসেব। এছাড়া একটি কনসালটেন্সির নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়িতে হানা দিয়ে বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করে গোয়েন্দারা।
টানা ১২ ঘণ্টা জেরার পরে তদন্তে অসহযোগিতার দাবিতে কালীঘাটের কাকুকে গ্রেফতার কাকুকে গ্রেফতার করে ইডি। আর সুজয়কৃষ্ণের গেফতারির পরেই রাজ্য-রাজনীতিতে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এরপরেই ট্যুইটে শাসকদল ও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, সুজয়কৃষ্ণের গেফতারিতে চক্রান্ত দেখছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
"তৃণমূলের যাঁরা গুন্ডামি করছে, তাঁদের বলে দিন তোদের নেতা অনুব্রত মণ্ডল তিহারে। কিছুদিন পরে ভাইপো যাবে তিহারে। কারণ এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি।" এই বক্তব্য রাখার দিনেই গ্রেফতার হলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। দীর্ঘ প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরার পর মঙ্গলবার রাতে তাঁর গ্রেফতারির খবর...
ইডির তলবে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩ মিনিটে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন সুজয়। এই প্রথমবার কালীঘাটের কাকু ইডির দফতরে এলেন। যদিওবা তাঁকে এপ্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, "আত্মবিশ্বাসী কি না বেরোনোর সময় দেখবেন।" আজ কালীঘাটের কাকুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি প্রসঙ্গে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কোন দিকে ঘুরবে তদন্তের মোড়? তাহলে কি বিপদ বাড়ছে সুজয়কৃষ্ণের?