নজরবন্দি ব্যুরো: টানা ১২ ঘণ্টা জেরার পরে তদন্তে অসহযোগিতার দাবিতে কালীঘাটের কাকুকে গ্রেফতার কাকুকে গ্রেফতার করে ইডি। আর সুজয়কৃষ্ণের গেফতারির পরেই রাজ্য-রাজনীতিতে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এরপরেই ট্যুইটে শাসকদল ও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, সুজয়কৃষ্ণের গেফতারিতে চক্রান্ত দেখছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee-অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রায় দলীয় কর্মীদের হামাগুড়ি, শাস্তির মুখে ৩ কর্মী


প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন সুজয়। গ্রেফতারির আগেই যথেষ্ট ‘আত্মবিশ্বাসী’ ছিলেন কালীঘাটের কাকু। কিন্তু তাঁর সেই আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের সামনে। এরপরেই নিয়োগ দুর্নীতিতে দীর্ঘ প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরার পর ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ভুয়ো সংস্থা খুলে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এছাড়া তিনি তদন্ত সহযোগিতা করছেন না বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

এরপরেই সুজয়কৃষ্ণের গেফতারির পরেই রাজ্য-রাজনীতিতে শুরু হয়ে চাপানউতোর। ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারি লেখেন, “হৃদয়ে পৌঁছে গিয়েছে ইডি। এখন শুধু আসল মাথাকে ধরা বাকি! তদন্তকারী সংস্থার উচিত না থেমে মাথায় পৌঁছনো।” অন্যদিকে, এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কাকু, জেঠু হল। এবার হয়তো পিসির সময় আসছে। পিসির আগেই ভাইপোও আছে। কান টানলে মাথা আসে। কান টানাটানি শেষ। এবার হয়তো মাথা আসবে।”



অন্যদিকে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গ্রেফতারির পিছনে চক্রান্ত করা হয়েছে বলেই দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এপ্রসঙ্গে কুনাল ট্যুইটে লেখেন, “বাইয়ন তৃণমূলে আসাতে কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। আর সেই রাগে এই গ্রেফতারির পদক্ষেপ। নিজেদের ব্যর্থতা থেকে নজর ঘোরাতেই এই সিদ্ধান্ত! সব মিলিয়ে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গ্রেফতারি নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।
এখন শুধু আসল মাথাকে ধরা বাকি, মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর








