শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হচ্ছেন না প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সূত্রের খবর, জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, জেল থেকে বেরোতে পারছেন না বালু। তবে তাঁকে ভার্চুয়ালি হাজির করা হবে নাকি আইনজীবীরাই আদালতে উপস্থিত থাকবেন, সেটা এখনও জানা যায়নি।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। পাশাপাশি শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলেও জানিয়েছেন। এখন পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। মৃত্যু আশঙ্কা করছেন মন্ত্রী। রবিবার সাংবাদিকদের সামনেই তিনি একথা জানান।
শনিবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ির পরিচারিকা রামস্বরূপ শর্মাকে সিজিও কমপ্লেক্সে ফের তলব করা হয়েছিল। তিনি কৃষি দফতরের অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মী বটেও। এদিন ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন রামস্বরূপ। কোনওদিন তাঁর 'সাহেব'কে দিয়ে সাদা কাগজে কোনও সই কি করানো হয়েছিল? এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অনেকদিন আগে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম করে কয়েকজন তাঁকে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন।
গত বছর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির ছয় দিনের মাথায় তাঁকে মন্ত্রিত্ব সহ দলের সমস্ত পদ থেকে অপসারণ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো। দুজনের ক্ষেত্রে কেন এই পার্থক্য? জানালেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! দুর্নীতির দায়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। শুধু তাই নয়, দুর্নীতি মামলায় রহস্য সমাধানে মন্ত্রী ঘনিষ্টদের তলব করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। এই তালিকায় নাম জড়িয়েছে বালুর আপ্তসহায়কদেরও। এহেন পরিস্থিতিতে ফের প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভায় রেখেই তাঁর দফতরের দায়িত্ব অন্য কাউকে দেওয়া হতে পারে। তবে কাকে দেওয়া হতে পারে এই দায়িত্ব? অনেকেই আবার মনে করছেন, বালুর দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।