নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সারা রাজ্য জুড়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। শাসক দলের একের পর এক নেতাদের যখন প্রতিদিন নাম জড়াচ্ছে, তখন পাল্টা যুক্তি দিতে নেমে পূর্বসূরী বাম আমলের কথা তুলে ধরছেন শাসক দল তৃণমূলের নেতারা। এরই মধ্যে জ্যোতি বসুকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মন্ত্রী উদয়ন গুহর। অভিযোগ, এক সিপি(আই)এম নেতার ছেলেকে ডাক্তারিতে সুযোগ পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
জ্যোতি বসু রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডি সেন্টারের জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্যই আয়োজন করা হয়েছিল ছোট্ট পথসভার। চলছিল জ্যোতি বসু সংগ্রহশালার অর্থ সংগ্রহ, সিপি(আই)এমের সেই পথসভাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল নেতারা। অভিযোগ, পথসভা চলাকালীন অনুমতি চায় পুলিশ। কিন্তু সিপি(আই)এম নেতাদের তরফে সদুত্তর মেলেনি।
গত বছর থেকেই রাজারহাটের জমিতে বৃক্ষরোপন করে শুরু হয়েছে এই কাজ। চলতি বছরেই তৈরি হবে জ্যোতি বসুর স্মারক গবেষণাকেন্দ্র। এবিষয়ে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বৈঠকও হয়েছে। সূত্রের খবর, এখানে থাকবে জ্যোতি বসু ও বাম আন্দোলন সংক্রান্ত সংগ্রহশালা, গ্রন্থাগার, প্রদর্শনশালা, অডিটোরিয়াম। থাকবে অতিথিদের জন্য থাকার ব্যবস্থা।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলা বিনোদন দুনিয়ায় পা রাখতে চলেছেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। বাংলার বুকে একটা সময় দাপটের সঙ্গে দু’দশকেরও বেশি রাজ্যপাট চালিয়েছেন তিনি।...
১৯৯৬ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নাম বিবেচিত হলেও, তিনি পার্টির সিদ্ধান্তে সেই পদ প্রত্যাখ্যান করেন। টানা ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০০০ সালের ৬ নভেম্বর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করে অবসর নেন বসু।
জ্যোতি বাবুর পার্টিকে একটা ভোট দিন, বিধায়ক চেয়ে কাতর আবেদন সিপিআইএমের। মাত্র ১০ বছর আগে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে সিপিআইএম তথা বামফ্রন্ট। ঠিক তাঁর আগেই বিধানসভা নির্বাচন ২০০৬ সালে ২৩৫ টি আসন জিতে শেষ বারের জন্যে ক্ষমতায় ফিরেছিল বামেরা।