ভারতীয় প্রতিনিধির এই বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সেখানে পাকিস্তানের উপস্থিতি শুধুমাত্র অবৈধ দখলদারিত্বের একটি উদাহরণ।
প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীও জম্মু-কাশ্মীর নেই নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকের পরে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনভাবেই সন্ত্রাসবাদি অনুপ্রবেশ কমানো যাচ্ছে না ভূস্বর্গে। যানিয়ে এই মুহূর্তে নতুন করে সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর।
এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে লোকসভার ভেতরেও ঝড় উঠেছে। বিরোধীরা কাশ্মীর সন্ত্রাস নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকেই দায়ী করেছে বারবার। তাই কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সন্ত্রাসবাদি হামলা কেন্দ্রীয় সরকারের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
কাশ্মীরে সেনাদের উপর বার বার হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রকে আক্রম করে বলেন, “শুধু ‘ফাঁপা বক্তৃতা এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ দিলে চলবে না। সন্ত্রাস হানার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।”
সুপ্রিম কোর্ট মামলার শুনানিতে জানিয়ে দিল ভারত সরকারের ৩৭০ ধারা বিলোপের সিদ্ধান্ত বৈধ ছিল। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে বলেও জানায়। সুপ্রিম কোর্টের কথায়, যত দ্রুত সম্ভব জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে সন্ত্রাসবাদীদের উপর নজরদারি বজায় রাখতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এবিষয়ে জম্মুতে সেনার মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান সাফল্যের পথে এগোচ্ছে। ওই অঞ্চল থেকে জঙ্গিদের নিকেশ করার প্রক্রিয়া চলছে।