রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে পাক প্রধানমন্ত্রীকে ধুয়ে দিলেন ভারতীয় কূটনীতিক। পাশাপাশি পাকিস্তানকে কাশ্মীর ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেয় ভারত। এমনকি পড়শি দেশে সংখ্যালঘুদের উপর চলা অকথ্য নির্যাতনের ভয়াবহ ছবিও তুলে ধরা হয় বিশ্বমঞ্চে।
আরও সেনা পাঠিয়ে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলেও সেনার তরফে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, এপ্রিল এবং মে মাসে পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলায় ২টি পৃথক জঙ্গি হামলায় ভারতীয় সেনার ১০ জওয়ান নিহত হন।
সেই সময় জওয়ানরা অনুপ্রবেশকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পালটা গুলি চালায় জঙ্গিরাও। তবে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর সামনে দাঁড়াতে পারেনি পাক জঙ্গিরা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় মৃত্যু হয় পাঁচ জঙ্গির।
শ্রীনগরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জি ২০ সম্মেলনের বৈঠক চলাকালীন নিরাপত্তা আরও কয়েকগুণ বাড়ানো হবে। এই বৈঠক নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পাকিস্তান ও চীন। জি ২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিকে চিঠি লিখে বৈঠক বয়কটের ডাক দিয়েছে পাকিস্তান। যদিও তাদের আপত্তিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ভারত। ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে পর্যটন বৈঠকের সূচি। তবে কাশ্মীরের পরিস্থিতি বিভিন্ন দেশের সামনে তুলে ধরতে সেনা জওয়ান ও সরকারি ভবনে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা।
বিলাওয়াল ভারতে আসার আগে টুইটারে ভিডিও বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের জন্য এসসিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমার উপস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে। বন্ধুসম দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার আশা করছি।” বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, পাক বিদেশমন্ত্রীর এই ভারত সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ! দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করেই বাধ্যবাধকতার খাতিরেই বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির এই ভারত সফর বলে ধারণা।
চিতা হেলিকপ্টারগুলি পুরনো হয়ে যাওয়ায় সেগুলিকে বাতিল করে এএলএইচ ধ্রুব ব্যবহার করতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। কিন্তু গত দু'মাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার ভেঙে পড়ল এই কপ্টার।