শনিবার সন্ধ্যে ৭টা বেজে ১২মিনিটে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে ইসরোর ‘চন্দ্রযান-৩’। আর চাঁদের দেশে গিয়েই পৃথিবীতে প্রথম বার্তা পাঠালো সে। ইসরো প্রকাশও করেছে সেই বার্তা। কী বলছে চন্দ্রযান-৩? কেমন লাগছে তাঁর চাঁদের দেশ?
এই উৎক্ষেপণের প্রধান স্যাটেলাইট DS-SAR। এছাড়াও রয়েছে আরও ৬টি স্যাটেলাইট। সেগুলি মাইক্রো বা ন্যানো স্যাটেলাইট। চলতি মাসেই বহু প্রতীক্ষিত চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের পর, এখন PSLV-C56 উৎক্ষেপণ এক মাসের মধ্যে ISRO-এর আরেকটি বড় সাফল্য।
পৃথিবীর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন হল চন্দ্রযান-৩-এর। সফল হল পঞ্চমবারের কক্ষপথ পরিবর্তন। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে ট্যুইট করে সাফল্যের কথা জানানো হয়েছে। গত ১৪ ই জুলাই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় চন্দ্রযান-৩।
শুক্রবার দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চন্দ্রযান-৩। সফল হল উৎক্ষেপণ। সব কিছু ঠিক থাকলে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছতে সময় লাগবে ৪০ দিন। চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডারের নাম ‘বিক্রম’ এবং রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
আজ, ১৪ই জুলাই ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৩। আর চন্দ্রযান-৩ নিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মুহূর্তে ফ্রান্স সফরে রয়েছেন মোদী, সেখান থেকেই ট্যুইট করে তিনি জানালেন, স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে আজকের দিন।
ইসরোয় এবার মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ পেল নবম শ্রেণির এক কন্যা। সাধারনত ইসরোর ‘যুবিকা’ পরীক্ষার ভিত্তিতে সেখানে গবেষণা করার সুযোগ দেওয়া হয়। এবার এই সৌভাগ্য হল, সৌভাগ্য নয় বলাবাহুল্য নিজ যোগ্যতায় গৌড়বঙ্গ থেকে একমাত্র সুযোগ পেল উপাসনা। তার বাড়ি পতিরামে।