নজরবন্দি ব্যুরো: শনিবার সন্ধ্যে ৭টা বেজে ১২মিনিটে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে ইসরোর ‘চন্দ্রযান-৩’। আর চাঁদের দেশে গিয়েই পৃথিবীতে প্রথম বার্তা পাঠালো সে। ইসরো প্রকাশও করেছে সেই বার্তা। কী বলছে চন্দ্রযান-৩? কেমন লাগছে তাঁর চাঁদের দেশ?
আরও পড়ুন: আজই চাঁদের কক্ষে চন্দ্রযান-৩, কোন বিশেষ কারণে এই সময় যান পাঠালো ইসরো?
চাঁদের কক্ষে প্রবেশ করেই ‘চন্দ্রযান-৩’ একটি বার্তা পাঠায় পৃথিবীতে। সে জানিয়েছে, “MOX, ISTRAC, চন্দ্রযান-৩ বলছি, আমি চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনুভব করতে পারছি”। আবার, চাঁদের কক্ষপক্ষে ঢুকে পড়ার আগে, চন্দ্রযানের বয়ান নিজেদের এক্স (ট্যুইটারের বর্তমান নাম) হ্যান্ডলে জানিয়েছে ইসরো। লিখেছে, “হ্যালো, আমি চন্দ্রযান-৩। বিশেষ একটি আপডেট নিয়ে এসেছি। আমি সবাইকে জানাতে চাই, এখনও পর্যন্ত আমার যাত্রাপথ খুবই উপভোগ্য। আমি কোথায় রয়েছি, কী করছি, তা জানতে চোখ রাখুন”।
Chandrayaan-3 Mission:
“MOX, ISTRAC, this is Chandrayaan-3. I am feeling lunar gravity 🌖”
🙂সদ্য প্রকাশিত
‘গোপন কথাটি’ থাকবে আড়ালেই! ChatGPT-তে এল Locked Chats, PIN ছাড়া খুলবে না ব্যক্তিগত চ্যাট
ইডেনে সামির আগুনেও রক্ষা হল না বাংলা! ৬৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও ঘুরে দাঁড়াল মহারাষ্ট্রChandrayaan-3 has been successfully inserted into the lunar orbit.
A retro-burning at the Perilune was commanded from the Mission Operations Complex (MOX), ISTRAC, Bengaluru.
The next… pic.twitter.com/6T5acwiEGb
— ISRO (@isro) August 5, 2023
পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে ‘চন্দ্রযান-৩’ এগিয়ে গিয়েছে অনেকদূর! চাঁদের কক্ষপথেও ঢুকে পড়েছে ইসরোর মহাকাশযান। বিজ্ঞানীদের মতে, এরপরের ধাপই সবচেয়ে কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এখন, ‘চন্দ্রযান-৩’ যাতে সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করতে পারে সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন আপামর দেশবাসী।

চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশের পর চাঁদের আকর্ষণকে কাজে লাগিয়ে তার চারপাশে ঘুরবে ‘চন্দ্রযান-৩’। এরপর ক্রমশ গতি কমিয়ে ‘চন্দ্রযান-৩’ চলে আসবে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক হলে আগামী ২৩ অগস্ট সন্ধ্যা ৫টা ৪৭ মিনিট নাগাদ অবতরণ করার কথা। ইতিমধ্যে মোট পাঁচ বার সফল ভাবে কক্ষপথ পরিবর্তন করেছে ‘চন্দ্রযান-৩’।
![]()
ব্লু মুনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে ‘চন্দ্রযান-৩’ চাঁদে অবতরণ করছে। এবারের ‘ব্লু মুন’ আবার ‘সুপার’ মুনও বটে। আর ঠিক এই সময়ই যান পাঠিয়েছে ইসরো। ‘সুপার মুন’ কী? পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার কিলোমিটার, আর এই সুপার মুনের সময় দূরত্ব কমে দাঁড়ায় ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার কিলোমিটার। ‘সুপার মুন’ হলে চাঁদ পৃথিবীর কিছুটা কাছে চলে আসে। আর এই সময় চাঁদকে অন্য সময়ের থেকে ১৫ শতাংশ বড় আর ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখায়।
![]()
এই কারণে সুপার মুনের সময় ‘চন্দ্রযান-৩’-কে কম দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে। তাতে সময়ও কমবে আর জ্বালানিও বাঁচবে। তাই ঠিক এই সময় যান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।
চাঁদের দেশ থেকে পৃথিবীতে এলো প্রথম বার্তা, কী বলছে চন্দ্রযান-৩?




