শনিবার থেকেই তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়। ভাঙড় থেকে উদ্ধার তাজা বোমা। রবিবার ভাঙড়ের উত্তর গাজিপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু বোমা। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরেই রয়েছে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের বাড়ি। ঘটনায় ৩ জন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থমথমে গোটা এলাকা।
আক্রমণ করার অভিযোগ ওঠে নওশাদের দলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। উন্মত্ত জনতাকে থামাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। পাল্টা বাঁশ, লাঠি নিয়ে পুলিশকে তাড়া করেন আইএসএফের কর্মীরা।
এদিন আব্বাসের মন্তব্য, কখন কোন দিকে হাওয়া ঘুরবে সেটাই বুঝতে পারছি না। তবে কী তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খুলে দেওয়ার কথা জানালেন তিনি? ইতিমধ্যেই সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের শাসক দল। তবে আব্বাসের কথায়, রাজনীতি তিনি দেখছেন না। সেটা আইএসএফের চেয়ারাম্যান নওশাদ সিদ্দিকি একাই সিদ্ধান্ত নেবেন।
পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের গাফিলতির অভিযোগে সকাল থেকে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, কেন আগে থেকে সেই জায়গা ঘিরে ফেলা হয়নি? পরে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে পুলিশ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবারের বিধাসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ। তবে ঘাসফুল ও পদ্মফুলের দাপটে ভোটের ময়দান থেকে বাম-কংগ্রেস জোট...