নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবারের বিধাসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ। তবে ঘাসফুল ও পদ্মফুলের দাপটে ভোটের ময়দান থেকে বাম-কংগ্রেস জোট কে খালি হাতে ফিরতে হলেও ভাঙড় কে নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছিল নওসাদ সিদ্দিকি। তবে সেখানে ও এবার দেখা দিল ভাঙন। এবার সেখানকার দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলামের হাত ধরে খাম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করেন বহু কর্মী।
আরও পড়ুনঃ দিল্লির দূষণ বাড়াচ্ছে আশঙ্কা, কেন্দ্রের পরিকল্পনা জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড়ের শানপুকুর থেকে ব্যাপক লিড পান নওসাদ। যার সিংহভাগ ই এসেছিল মাঝেরহাট গ্রাম থেকে। কিন্তু সেখানেই এবার দেখা দিল ঘাসফুলে যোগদানের হিড়িক। দিনকয়েক আগেই ভাঙরের সভা করতে যাওয়ার কথা ছিল আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকির। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সভায় অংশ গ্রহন করতে পারেননি তিনি।
কিন্তু এবার সেই কেন্দ্র থেকেই সভামঞ্চ করে আইএসএফ কর্মীদের নিজের দলে ভিড়িয়ে নিলেন আরাবুল। সেদিন আরাবুল ছাড়া ঘাসফুলের সেই সভা মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল হাকিমুল ও ইব্রাহিম সহ অন্যান্য নেতাদের। সেই মঞ্চ থেকেই আরাবুল ঘোষণা করেছিল, ” কিছু মানুষ ভুল বুঝে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তবে মাঝেরহাট গ্রামের মূল রাস্তা ও কয়েকটি ঢালাই রাস্তার দাবি জানিয়ে ওরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছে।”
বড়সড় ভাঙন নওসাদের ভাঙড়ে, শাসক দলে যোগ একাধিক আইএসএফ কর্মীর

তবে এই সমস্ত বিষয় মানতে নারাজ ভাঙরের বর্তমান বিধায়ক নওসাদ। তিনি বলেন, ” রাজ্যের শাসক দল বাইরে থেকে লোকজন এনে দল-বদলের নাটক করছে। আমারা কর্মীদের বলেছি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে।” তবে দল-বদলের ফলে আদৌ কি কোন প্রভাব পড়বে ভাঙরের সেই গ্রামে এখন সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।




