নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বিধানসভা নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আইএসএফ। এবার সময়ের সঙ্গে ভোল বদলে ফেললেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি। তাঁর কথায়, রাজনীতিতে চিরস্থায়ী শত্রু বা বন্ধু বলে কিছু হয় না। তবে বামেদের সঙ্গে জোট ছিন্ন করল আইএসএফ? জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ Matua: মতুয়া মহাসমাজের বিরাট সমাবেশ, উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু-নিশীথরা


বিধানসভা নির্বাচনের পর জোট ভেঙে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেরা। রাজ্যের একাধিক উপ নির্বাচন এবং পুরনির্বাচনে একলা চলো নীতি নিয়ে চলার সিদ্ধান্ত বামেদের পালে হাওয়া লাগিয়েছে। একাধিক জায়গায় বিরোধী দল বিজেপিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে এসেছে তাঁরা। আইএসএফের সঙ্গে জোট ভেঙে আসলে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একথা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছেন বাম কর্মীরাই। সেটাই হয়তো আইএসএফ নেতাদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই জোট ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন আব্বাস।

এদিন আব্বাসের মন্তব্য, কখন কোন দিকে হাওয়া ঘুরবে সেটাই বুঝতে পারছি না। তবে কী তৃণমূলের সঙ্গে জোটের রাস্তা খুলে দেওয়ার কথা জানালেন তিনি? ইতিমধ্যেই সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের শাসক দল। তবে আব্বাসের কথায়, রাজনীতি তিনি দেখছেন না। সেটা আইএসএফের চেয়ারাম্যান নওশাদ সিদ্দিকি একাই সিদ্ধান্ত নেবেন।
কখন কোন দিকে হাওয়া ঘুরবে সেটাই বুঝতে পারছি না, কেন একথা বললেন আব্বাস?

সূত্রের খবর, বিধানসভায় এই মুহুর্তে জোটের বিধায়ক রয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। জোটের পক্ষে একা সওয়াল করবেন একথা আগে জানিয়েছিলেন নওশাদ। জানা যাচ্ছে, সেই সম্পর্ক এখন অতীত। বরং সেই সম্পর্কে এখন চিড় ধরেছে। আইএসএফের হাত ছাড়তে চলেছেন সিপি(আই)এমের বহু নেতৃত্ব।










