একদিকে যেমন বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন প্রাক্তন স্পিকার ওম বিড়লা। ঠিক সেরকমই পাল্টা কংগ্রেসের তরফে কে সুরেশ বিরোধী জোটের স্পিকার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
প্রথম দিন রেল দুর্ঘটনা থেকে প্রশ্নফাঁস, একাধিক ইস্যুতে এনডিএ সরকারকে চাপে ফেলতে এককাট্টা দেখা গেল ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। সংসদের ভিতরে যখন চলল শপথগ্রহণ, ঠিক তখনই বাইরে হাতে সংবিধান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন বিরোধীরা।
প্রোটেম পদ নির্বাচনের প্রতিবাদে সহায়কের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও তা স্পিকারের চেয়ারে বসবেন না তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, প্রোটেম স্পিকারের চেয়ারে বসবেন না বলে জানিয়েছেন কংগ্রেসের কে সুরেশ এবং ডিএমকে সাংসদ টিআর বালুও।
দলিত সম্প্রদায়ের ভোট নিজেদের ঝুলিতে রাখতে চন্দ্রবাবু চান জিএমসি বালাযোগী ছেলে হরিশ মাথুর বালাযোগীকে স্পিকার করা হোক। টিডিপি-র প্রার্থীকে যদি এনডিএ বা মোদী সরকার নির্বাচিত করে তাহলে তাঁকেই সমর্থন করবে 'ইন্ডিয়া'। এমনকি এই বিষয়ে চন্দ্রবাবুর সঙ্গে যোগাযোগও রাখছে বিরোধী জোট।
ইন্ডিয়া জোটের সরকার গঠনের সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি জানান, "আগে দিল্লী যাই। অনেক দলই আসছে। অনেক সম্ভাবনাই রয়েছে। কিন্তু, এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়। আজ বৈঠক হবে সেখানেই সমস্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।"
৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২৯২ আসনেই থামল এনডিএ। বিজেপি এককভাবে পেল ২৪০টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে এখন দিল্লিতে সরকার গড়তে দুই শরিকের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদিকে।
টিডিপি অন্ধ্রপ্রদেশে পেয়েছে ১৬টি ও জেডিইউ বিহারে জিতেছে ১২টি আসন। এই ২৮টি আসন এই মুহূর্তে সরকার গড়ার ক্ষেত্রে প্রধান ফ্যাক্টর হবে বিজেপির জন্য। ইতিমধ্যেই এই দুই শরিক দলের সুপ্রিমোর সঙ্গে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি।