এই বিতর্কের প্রভাব জোটের ঐক্য এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল এখন গভীর পর্যবেক্ষণে। মমতার নেতৃত্বে যদি ইন্ডিয়া জোট গঠিত হয়, তাহলে তা দেশের রাজনৈতিক চিত্রে বড়সড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বুধবার সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। 'ইন্ডিয়া' জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট! উল্লেখ্য, বাজেটের বিরোধিতায় আগামী ২৭ জুলাই নীতি আয়োগের বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পরই সন্ধেয় মুকেশ পুত্র অনন্ত আম্বানি ও রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্যেই বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে সেজে উঠেছে মুম্বই শহর। অতিথিদের তালিকা রয়েছে বেশ দীর্ঘ। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত হবেন এই বিয়ের আসরে।
এই পোস্টার 'ইন্ডিয়া' জোটের অন্দরে কিছুটা কি বিড়ম্বনা তৈরি করবে? অখিলেশের অনুমতি ছাড়াই কি এই পোস্টার ছাপিয়েছে সমাজবাদী পার্টি? নাকি তিনি নিজেই অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিতে চাইছেন? প্রশ্ন একাধিক!
কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ সাফ জানিয়েছেন, বিতর্কের শুরুতেই প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি নিয়ে তাঁরা আলোচনা চান। একেবারে স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে জবাবদিহি করতেই হবে বলে দাবি ইন্ডিয়া জোটের।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদেরকে না জানিয়েই কংগ্রেস কে সুরেশকে স্পিকার পদে মনোনীত করেছে। এখন গুঞ্জন, তাহলে কি কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন করবে না তৃণমূল?