আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার লোকসভায় স্পিকার নির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিজেপির ওম বিড়লা এবং কংগ্রেসের কে সুরেশ। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ভোটাভুটির মাধ্যমে স্পিকার নির্বাচনের কথা। তার আগেই বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটে ফাটলের আশঙ্কা! তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদেরকে না জানিয়েই কংগ্রেস কে সুরেশকে স্পিকার পদে মনোনীত করেছে। এখন গুঞ্জন, তাহলে কি কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন করবে না তৃণমূল?
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর এক ধমকে কাজ শুরু, ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে বুলডোজার নামাল প্রশাসন!
সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভার বিশেষ অধিবেশন। প্রথম দু’দিন সাংসদেরা শপথ নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদি শপথ নিয়ে ফেলেছেন সোমবারেই। বুধবার স্পিকার নির্বাচন হবে। আগামী ২ বা ৩ জুলাই বিতর্কে অংশ নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। স্পিকার পদের দাবিদার দু’জন। একজন বিজেপির ওম বিড়লা। অন্যজন, কংগ্রেসের কে সুরেশ। তবে, কংগ্রেস তৃণমূলকে না জানিয়ে নিজেদের প্রার্থীদের ঘোষণা করেছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।



মঙ্গলবার সংসদের ভিতরে রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায়কে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করতে দেখা যায়। এরপরেই তৃণমূল সেনাপতি এই বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনেন। তবে, আজ সন্ধ্যের মধ্যেই তৃণমূল নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন অভিষেক। দিল্লিতে বৈঠকে বসবেন সাংসদেরা। তবে, শেষমেশ কী করা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
INDIA জোটে ফাটল! কংগ্রেসের স্পিকার প্রার্থীকে সমর্থন করবে না তৃণমূল?



ঠিক এরকমই ২০২২ সালে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সেবার একদিকে ছিলেন, এনডিএ প্রার্থী জগদীপ ধনখড়। এবং, বিরোধীদের প্রার্থী ছিলেন মার্গারেট আলভা। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জগদীপ ধনখড়। মনে করা হচ্ছে, এবারেও ভোটদানে বিরত থাকতে পারে তৃণমূল। রাজ্যের বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এ বিষয়ে বলেছেন, “আমাদের মাথাব্যথা নেই। কিন্তু, তৃণমূলকে নিয়ে আদৌ কোনও জোট হয় কিনা সেটা এবার কংগ্রেস টের পাবে।”
অন্যদিকে, রাজ্যের কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচের অভিযোগ, “বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই তৃণমূল এসব করছে। এবার ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যাবে।” একই বক্তব্য বাম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। দিল্লিতে রাহুল গান্ধীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি শুধু বলেছেন, “জয় সংবিধান!”







