মঙ্গলবার তৃতীয় এনডিএ সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর বাজেট ঘোষণার পর থেকেই অসাম্যের অভিযোগে সরব বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। বুধবার সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট! উল্লেখ্য, বাজেটের বিরোধিতায় আগামী ২৭ জুলাই নীতি আয়োগের বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
কেন কুর্সি বাঁচাও বাজেট? এবারের লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। শরিকদের সমর্থন নিয়ে দেশের মসনদে বসেছেন নরেন্দ্র মোদি। যে কারণে দুই গুরুত্বপূর্ণ শরিক চন্দ্রবাবু নায়ডুর রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ ও নীতিশ কুমারের রাজ্য বিহারের জন্য বাজেটে স্পেশাল প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্ধ্রকে দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার কোটি এবং বিহারকে ২৬ হাজার কোটি টাকা। যে কারণে এই বাজেটে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করেছে বিজেপি এই অভিযোগে সরব বিরোধীরা।



অন্যদিকে, পূর্ব ভারতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও বাজেটে বাংলার ভাগ্যে সেভাবে কিছুই জোটেনি। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় বরাদ্দ বেড়েছে আর কলকাতা-অমৃতসর বাণিজ্য সড়ক নির্মাণের কথা ঘোষণা হয়েছে। যে কারণে, তৃণমূল সাংসদেরা বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে সরব। বাজেট অধিবেশনে আজ লোকসভায় বক্তব্যা রাখবেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কুর্সি বাঁচাও বাজেট, সংসদ চত্বরে বিরোধিতায় INDIA জোট
অভিষেক বাজেট ঘোষণার দিনেই বলেন, “এই বাজেট ব্যর্থ বাজেট। দিন কয়েক আগেই বাংলার বিরোধি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বলেছিলেন, এই বাজেট তো সেই ফর্মুলা মেনেই করা হয়েছে। বিহার অন্ধ্রপ্রদেশকে দিক, আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু, অন্যদের বঞ্চিত করে কেন? বাংলাকে বঞ্চিত করা তো নতুন কোনও ঘটনা নয়। বাংলার মানুষ আবার এর জবাব দেবে।” একই অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তিনি এই বাজেটকে ‘দিশাহীন, গরীব বিরোধী এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিহিত করেছেন।









