বুধবার লোকসভার স্পিকার পদে কে নির্বাচিত হবেন তা চূড়ান্ত হবে। আর এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্পিকার নির্বাচন করতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা তাঁর এনডিএ সরকার। কারণ, একদিকে যেমন বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন প্রাক্তন স্পিকার ওম বিড়লা। ঠিক সেরকমই পাল্টা কংগ্রেসের তরফে কে সুরেশ বিরোধী জোটের স্পিকার প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সাম্প্রতিক অতীতে এই প্রথমবারের জন্য ভোটের মাধ্যমে লোকসভার স্পিকার নির্বাচন করা হবে।
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে 40 আসন চাই বিধানসভায়, কর্মীদের টার্গেট দিলেন BJP-র হবু রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
প্রথমবারের জন্য শরিকদের সমর্থন নিয়ে দেশের মসনদে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির কাছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। লোকসভায় ২৪০ আসনে থেমে গিয়েছে পদ্মের বিজয় রথ। সবমিলিয়ে, এনডিএ পেয়েছে ২৯৩ আসন। অন্যদিকে, বিরোধী জোট ইন্ডিয়া একেবারে পিছিয়ে নেই। তাঁরাও পেয়েছে ২৪৩ আসন। ফলে, বিল পাশ থেকে শুরু করে স্পিকার পদ নির্বাচন সবক্ষেত্রেই এবার বিরোধীদের টেক্কা দিতে হবে নরেন্দ্র মোদিকে, একতরফা কিছুই আর হবে না।

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভার বিশেষ অধিবেশন। প্রথম দু’দিন সাংসদেরা শপথ নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদি শপথ নিয়ে ফেলেছেন সোমবারেই। বুধবার স্পিকার নির্বাচন হবে। আগামী ২ বা ৩ জুলাই বিতর্কে অংশ নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই মুহূর্তে রেল দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি, একধিক ইস্যুতে সরকার পক্ষের জবাব চাইতে মরিয়া বিরোধীরা।
লড়াই কঠিন NDA সরকারের, স্পিকার পদে পাল্টা প্রার্থী দিল INDIA, মোদির ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার’ যুগ শেষ?

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব। সেই নিয়েও শুরু হয় বিতর্ক। কারণ, কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, সংসদের নিয়মানুযায়ী, সবচেয়ে বর্ষীয়ান যিনি সাংসদ তাঁকেই এই পদে নির্বাচন করতে হত। সেক্ষেত্রে দাবিদার ছিলেন কংগ্রেসের কে সুরেশই। যদিও তা মানা হয়নি বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। এবার ভোটের মাধ্যমেই স্পিকার পদ পাবে এনডিএ সরকার যদি না কে সুরেশ তাঁর মনোনয়ন তুলে নেন।



