সিভি আনন্দ বোসকে সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানেও দেখা যাচ্ছে শাসক শিবিরের পাল্লাভারী। রাজ্যপালের বাংলায় হাতেখড়ির পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির ভাবনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। রাজ্যপালের কর্মপদ্ধতি বিস্ময়কর! বলে দাবি করেছে বিজেপি।
রাজ্যপাল খুবই ভদ্র মানুষ। সুন্দর ব্যবহার করেছেন। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আমি মেরি ক্রিসমাস এবং হ্যাপি নিউ ইয়ার জানাতে এসেছিলাম। এটা আমাদের সৌজন্য। রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুব ভালো, তাই কোনও সমস্যা হবে না। আলোচনা করে আমাদের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি সহযোগিতা করছেন। এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
বাংলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যের নয়া রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। বৃহস্পতিবার এনআরএস হাসপাতালের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দান করেন তিনি। আর দেখানেই তিনি করলেন বাংলার প্রশংসা।
তিনি শপথ অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় সারিতে বসেছিলেন। ভিড়ের মধ্যে আচমকাই তাঁকে দেখতে পেয়ে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)। বলেন, ‘বিমানদা কেমন আছেন? পিছনে বসে কেন, সামনে আসুন।’ বিমান বসুর হাত ধরে তাঁকে সামনের সারিতে একটি চেয়ার টেনে এনে বসান মুখ্যমন্ত্রী। দু’জনের খানিক সময় কথা হয়।
গতকালই কলকাতায় এসে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের নব নির্বাচিত রাজ্যপাল। মঙ্গলবার রাজ্যপাল পদে শপথ নিলেন সিভি আনন্দ বোস নয়া রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের অন্যান্য মন্ত্রীরাও।
নতুন রাজ্যপালের আসনে সিভি আনন্দ বোস বসতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। আবারও কী রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব দেখবে বাংলা? নিকট অতীতের কথা মনে করে সেই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তবে এমন কিছু ঘটবে না, এমনটা জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল স্বয়ং। সেই বক্তব্যের পরই মমতা ব্যানার্জীর পক্ষ থেকে এল শুভেচ্ছা।