গত কয়েকদিনে চরম রূপ নিয়েছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। শনিবার মধ্যরাতে রাজভবনের তরফে পাঠানো জোড়া চিঠি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লিতে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কী লেখা রয়েছে, এখনও স্পষ্ট নয়।
বিতর্কের সূত্রপাত গত শুক্রবার। বৈঠকের জন্য রাজ্য চালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রেজিস্ট্রারদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেখা যায় হাতে গুনে মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ রাজ্যপাল অনুমোদন না দেওয়ায় আসতে পারেননি তাঁরা।
রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত কোনও নতুন বিষয় নয়। দিনের পর দিন তা যেন আরও তীব্র রূপ ধারণ করছে। এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ব্রাত্যর অভিযোগ, কোন আইনের বলে একজন আচার্য উপাচার্যের পদ সামলাতে পারেন?
অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন মনে করেন না। কোনও নিয়ম মানেন না। আমি তাঁর চেয়ারকে সম্মান করি কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে তাঁর যে কার্যকলাপ, তাকে সমর্থন করতে পারি না। তিনি সংবিধান উল্লঙ্ঘন করছেন।
মৃতদেহগুলি ইতিমধ্যেই বাংলায় পৌঁছেছে। কিন্তু যেভাবে নিহত শ্রমিকদের দেহ কফিনবন্দী করে পাঠানো হয়েছে, তা নিয়ে রেলের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী।
‘পুরো বাংলা দুঃখিত। আমার ভাইয়েরা আমাদের ছেড়ে স্বর্গে ভগবানের কাছে গিয়েছেন। আমরা তাঁদের পরিবারের পাশে থাকব।’ উল্লেখ্য, গতকাল কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী ও রাজ্য সংখ্যালঘু পরিষদের চেয়ারম্যান নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সাথে দেখা করে সমবেদনা জানান।