নজরবন্দি, মালদা: কোনও ক্ষতিপূরণ মানুষের জীবনের সমান হতে পারে না’। মিজোরামে নিহত শ্রমিকদের পঅরিবারের সাথে দেখা করতে এসে মালদা রেল স্টেশনের বিশ্রামাগারে বসে এমনটাই বললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। মিজোরামে দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এদিন তিনি ট্রেনে মালদায় আসেন আসেন।
আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে দার্জিলিংয়ে ধস, মৃত ১
যদিও তার বন্দেভারত ট্রেনে এখানে আসার কথা থাকলেও সেই ট্রেন যান্ত্রিক কারনে বাতিল হওয়ায় অন্য ট্রেনে আজ মালদা এসে পৌছন রাজ্যপাল। যার জেরে তার সফর সুচি কিছুটা হলেও পিছিয়ে যায়। ট্রেনে বেলা প্রায় সাড়ে ১১টার পর মালদা টাউন স্টেশনে পৌঁছান রাজ্যপাল। সেখানে বিশ্রামাগারে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে রতুয়ার উদ্দেশে রওনা দেন।

রাজ্যপালের সঙ্গে মালদা টাউন স্টেশনে দেখা করতে আসেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তব বাগচি। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের দাবিপত্র রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন তিনি। কৌস্তববাবুদের দাবি, রাজ্য সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণ অনেক কম। এনিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘মিজোরামে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। সেখানে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে, কথা বলে ক্ষতিপূরণের অংক নিয়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছোনো যাবে।

পাশাপাশি প্নিহত পরিবার পরিজনদের সাথে দেখা করতে যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘মিজোরামে দুর্ঘটনায় শ্রমিক ভাইদের মৃত্যু দুঃখজনক ঘটনা। রেল নিহত শ্রমিকদের ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ২ লক্ষ টাকা এবং অল্পবিস্তর আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। রাজ্য সরকারও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে কোনও ক্ষতিপূরণ মানুষের জীবনের সমান হতে পারে না।’
কোনও ক্ষতিপূরণ মানুষের জীবনের সমান হতে পারে না, মালদহে গিয়ে বললেন রাজ্যপাল

পাশাপাশি তিনি জানান, কোনও রাজ্যে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কী করলে ভালো হয়, তাঁরা একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, ‘পুরো বাংলা দুঃখিত। আমার ভাইয়েরা আমাদের ছেড়ে স্বর্গে ভগবানের কাছে গিয়েছেন। আমরা তাঁদের পরিবারের পাশে থাকব।’ উল্লেখ্য, গতকাল কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী ও রাজ্য সংখ্যালঘু পরিষদের চেয়ারম্যান নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সাথে দেখা করে সমবেদনা জানান।



