নজরবন্দি ব্যুরো: গত কয়েকদিনে চরম রূপ নিয়েছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। শনিবার মধ্যরাতে রাজভবনের তরফে পাঠানো জোড়া চিঠি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লিতে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কী লেখা রয়েছে, এখনও স্পষ্ট নয়। সোমবার সাংবাদিকদের সামনে রাজ্যপাল জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশ সফর শেষ করে ফিরলেই এবিষয়ে আলোচনা হবে।
আরও পড়ুন: নিয়োগ মামলায় এবার চার চাকরিপ্রার্থীর গোপন জবানবন্দি! আদালতে আর্জি CBI-র


সোমবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে জোড়া চিঠি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ”মুখ্যমন্ত্রী বিদেশ যাচ্ছেন। এখন তাঁকে টেনশন দিতে চাই না। তিনি ফিরে এলে আলোচনা করা যাবে।” জি-২০ সম্মেলন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দিতে গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফরে গিয়েছেন। এরপরই রাজভবনের তরফে চিঠি পাঠানো হয়। এদিকে দিল্লি থেকে ফিরেই বিদেশ সফরে যাওয়ার কথা তাঁর। এই পরিস্থিতিতে চিঠি বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা সম্ভব কিনা তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল।

সম্প্রতি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নিশানায় বারবার উঠে আসছেন রাজ্যপাল। এই বিতর্কের সূত্রপাত গত শুক্রবার। বৈঠকের জন্য রাজ্য চালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রেজিস্ট্রারদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেখা যায় হাতে গুনে মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ রাজ্যপাল অনুমোদন না দেওয়ায় আসতে পারেননি তাঁরা। এমনকি সিভি আনন্দ বোসকে মহম্মদ বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এর জবাবে শনিবার রাজ্যপাল কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ মধ্যরাতে কী করি দেখুন।”


![]()
শনিবার রাতে ঘড়ির কাটা ১২-র ঘর ছোঁয়ার আগেই জোড়া চিঠি গেল নবান্নে ও দিল্লিতে। কিন্তু দিল্লিতে কাকে চিঠি পাঠানো হল, কী লেখা সেখানে, তা জানা যায়নি। সিভি আনন্দ বোস বাংলার রাজ্যপাল হয়ে আসার পর তাঁর সঙ্গে রাজ্যের শাসক দলের সম্পর্ক বেশ ভালোই ছিল। কিন্তু ক্রমেই তলানিতে ঠেকে সেই সুসম্পর্ক।







