দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না পারায় কলকাতায় ফিরে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে ‘বঞ্চিত’ একশো দিনের কাজের জব হোল্ডারদের চিঠি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেন নি বোস। তৃণমূল সাংসদ জানিয়ছেন, রাজ্যপাল না আসা পর্যন্ত রাজভবনের আমনে ধরনা চলবে। আজও ধরনা মঞ্চে উপস্থিত আছেন অভিষেক নিজে। দলের কর্মী সমর্থকেরাও যোগদান করেছেন।
দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না পারায় কলকাতায় ফিরে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে 'বঞ্চিত' একশো দিনের কাজের জব হোল্ডারদের চিঠি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাদের মধ্যে অন্যতম। একুশের বিধানসভায় জিতে তৃণমূল 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতি কার্যকর করলেও ফিরহাদের জন্য ছিল ছাড়। তিনি একদিকে যেমন কলকাতার মেয়র আবার তিনিই সামলান পরিবহণ এবং আবাসন দফতর। আর এবার এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ফিরহাদ হাকিম কি দু'টি পদে থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন? এরকমই প্রশ্ন তুলে নবান্নে চিঠি লিখলেন তিনি।
নাম না করে তৃণমূলের দিল্লি অভিযান নিয়ে খোঁচা দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আজ, গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ব্যারাকপুরের গান্ধীঘাটে উপস্থিত ছিলেন তিনি। কর্মসূচি শেষ করে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই তাঁকে প্রশ্ন করা হয় তৃণমূলের দিল্লি অভিযান প্রসঙ্গে। শুনেই বোস হাত জোড় করে বলেন, "সবকো সম্মতি দে ভগবান" অর্থাৎ, সকলেরই অন্তত একবার সুযোগ পাওয়া উচিৎ! তার মানে তৃণমূলের এই কর্মসূচি রাজনৈতিক ভাবে কোনও প্রভাব ফেলবে না বলেই কি বোঝাতে চাইলেন তিনি? যদিও রাজ্যপাল কিন্তু তৃণমূলের নাম উল্লেখ করে কিছু বলেননি।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে নয়াদিল্লিতে দেখা করলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রপতি ভবন অর্থাৎ রাইসিনা হিলে দু'জনের সাক্ষাৎ হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একটি রিপোর্ট দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পেশ করেছেন সিভি আনন্দ বোস।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য সরকার। আজ সেই মামলার শুনানিতে বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির স্বার্থে রাজ্য ও রাজ্যপালকে মতভেদ দূরে সরিয়ে রাখার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে, উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে সুপ্রিম কোর্ট।