নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য সরকার। আজ সেই মামলার শুনানিতে বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির স্বার্থে রাজ্য ও রাজ্যপালকে মতভেদ দূরে সরিয়ে রাখার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে, উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুনঃ ২৫ সালের মধ্যেই ভারতের সমস্ত স্মার্টফোনে থাকবে ইসরোর নাবিক, ঘোষণা সরকারের


রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্যের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে পদ্ধতিতে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল সেই পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুধু তাই নয়, নবান্নের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, রাজ্যপাল যেহেতু আচার্য তাই তিনিই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের নিয়োগ কর্তা। তবে, তিনি কোনোভাবেই নির্বাচক নন। তাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এদিন জানিয়ে দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে শীর্ষ আদালতই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতির স্বার্থে মতভেদ দূর করতে হবে, রাজ্য-রাজ্যপালকে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ



শুক্রবারের শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্যের তরফে আলোচনায় বসার কথা বলা হলেও রাজ্যপাল তাতে সায় দেননি। পাল্টা রাজ্যপালের আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত আদালতে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান, রাজ্যপালকে নিয়মিত অপমান করা হয়। তাও প্রকাশ্যে। আলোচনার পরিবেশ নেই। সব শুনে শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, “মতপার্থক্য ভুলে এগোনো উচিত রাজ্য এবং রাজ্যপালের। আপনাদের ‘ব্যক্তিগত ইগো’র জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ছাত্রছাত্রীরা ভুক্তভোগী হচ্ছে।”
অন্যদিকে, যে সার্চ কমিটি তৈরির কথা বলা হয়েছে সেখানে রাজ্য, রাজ্যপাল এবং ইউজিসি-কে তিন থেকে পাঁচটি নাম জানাতে বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। এই কমিটিই স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করবে। তবে, আপাতত রাজ্যপাল যে অস্থায়ী উপাচার্যদের নিয়োগ করেছেন তাঁরাই নিজেদের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।








