বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধব সেনা শিবিরে অক্সিজেন জুগিয়েছে। শিবসেনা শিবিরে ভাঙন, বিধায়কদের দলত্যাগ, আস্থা ভোট সহ একাধিক বিষয়ে কথা বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে নিজেদের নৈতিক জয় বলেই দাবি করেছে উদ্ধব শিবির। এদিনই জোট নিয়ে আলোচনা করতে উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার।
সব মিলিয়ে মহারাষ্টের মসনদ থেকে জনগনের ভোট ছাড়াই সরতে হয়েছে উদ্ধবের শিবসেনাকে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি এবং শিন্ডের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন শিবসেনা প্রধান। বিদ্রোহী শিন্ডে এবং তাঁর মদতদাতা বিজেপিকে নিশানা করে তিনি, ‘‘হিম্মত থাকলে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তী নির্বাচন করুন। জনতার আদালতে স্পষ্ট হয়ে যাবে কার দিকে কতটা সমর্থন রয়েছে।’’
সোজা উপস্থিত হলেও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের বাসভবনে। সেখান থেকে একসঙ্গে রাজভবনে উপস্থিত হলেন। আজই রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির কাছে সরকার গঠনের প্রস্তাব রাখবেন তাঁরা। আজ সন্ধ্যে সাতটায় শপথ গ্রহণ। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন একনাথ শিন্ডে।
গতকালের দলীয় বৈঠকে উদ্ধব ঠাকরে পরিষ্কার করে দিয়েছেন চাইলে বিক্ষুব্ধরা চলে যান। তিনি নিজে নতুন করে শিবসেনা গঠন করবেন। ঠিক তার পরেই বৈঠকে বসল একনাথ শিন্ডে বাহিনী। বড় চাল শিন্ডের। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে স্থির হয়েছে, নিজেদের দলের নাম ‘শিবসেনা বালা সাহেব’ রাখতে চলেছেন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা।
ক্রশ ভোটিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বেপাত্তা মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ ২২ জন বিধায়ক। পরে সুরাতের একটি হোটেলে তাঁদের খোঁজ মেলে। এরপর বিক্ষুব্ধদের নিয়ে গুয়াহাটির ব্লু র্যাডিসন হোটেলে আস্তানা নিয়ে বিধায়করা। গুয়াহাটির হোটেলে শিবসেনার বিক্ষুব্ধরা। এমনকি তাঁদের সমস্ত দেখভালের বিষয়টি নিজে এসে দেখে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।