নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিরোধীদের দাবি, তাঁর সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে। তাঁর নিজের দলেরই একটা বড় অংশ সঙ্গে নেই। এই পরিস্থিতিতে সাড়ে ন’টা নাগাদ সামাজিক মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার ঘোষণা করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। সেইসঙ্গে বিধান পরিষদের পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর স্থানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন বিজেপির বিজেপির দেবেন্দ্র ফডণবীস।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি নাকি লালবাজার! অবাক করা যুক্তি অভিযুক্তের


উদ্ধবের ইস্তফার পর রবি ও সোমবার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়। রবিবার স্পিকার নির্বাচন করা হয়। স্পিকার নির্বাচনে মহাবিকাশ আঘাডীর প্রার্থী হিসাবে রত্নগিরি জেলার প্রভাবশালী শিবসেনা বিধায়ক রঞ্জন সালভির নাম ঘোষণা করা হয়। অন্য দিকে, শাসকজোটের প্রার্থী হন কোলাবার বিজেপি বিধায়ক রাহুল নরবেকর। স্পিকার নির্বাচনে মহাবিকাশ আঘাডীর প্রার্থী রঞ্জন সালভি ১০৭ ভোটে পরাজিত হন। স্পিকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বিজেপি বিধায়ক রাহুল নরবেকর।

স্পিকার নির্বাচন ও আস্থাভোটের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে উদ্ধব শিবিরের তরফে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানো হলেও তা শুক্রবার খারিজ হয়ে যায়। এদিকে স্পিকার নির্বাচনের পর আজ ছিল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একনাথ শিন্ডের গরিষ্ঠতা প্রমাণের লড়াই। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় জিততে হলে প্রয়োজন ছিল ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন। সকাল ১১টা নাগাদ আস্থাভোট শুরু হয় মহারাষ্ট্র বিধানসভায়। শিন্ডের পক্ষে ভোট পড়ে ১৬৪ টি।
হিম্মত আছে বিধানসভা ভেঙে ভোটে লড়ার? শিন্ডেসেনা-বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করলেন উদ্ধব



সব মিলিয়ে মহারাষ্টের মসনদ থেকে জনগনের ভোট ছাড়াই সরতে হয়েছে উদ্ধবের শিবসেনাকে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি এবং শিন্ডের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন শিবসেনা প্রধান। বিদ্রোহী শিন্ডে এবং তাঁর মদতদাতা বিজেপিকে নিশানা করে তিনি, ‘‘হিম্মত থাকলে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তী নির্বাচন করুন। জনতার আদালতে স্পষ্ট হয়ে যাবে কার দিকে কতটা সমর্থন রয়েছে।’’

তাঁর কথায়, ‘‘শিবসেনাকে শেষ করার জন্য বিজেপি চক্রান্ত করছে। আমি তাদের বলছি, সাহস থাকলে রাজ্যে অন্তর্বর্তী নির্বাচন করুন। যদি আমরা ভুল করি জনগণ আমাদের প্রত্যাখ্যান করবে। আর আপনারা করলে জনতা আপনাদের বাড়ি পাঠাবে।’’







