বিভিন্ন সচেতনতা মূলক প্রচার এবং সামাজিক কল্যাণ মূলক কাজে যদি এই অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলিকে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলছে, যেহেতু মাথার উপর আদালতের নির্দেশ রয়েছে, তাই রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া অর্থের অবিলম্বে হিসাব নেওয়া জরুরি ৷ সূত্রের খবর, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই হিসাব নবান্নের তরফ থেকে আদালতে জমা করা হবে।
পুজো বা কোনও মঙ্গলকার্যে এর ব্যবহার আদিকাল থেকে চলে আসছে। কেবল পূজর্চনার ক্ষেত্রেই নয়, জ্যোতিষশাস্ত্রও নারকেলকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। সাবু মাখা থেকে চিঁড়ে মাখা সবেতেই নারকেল দিলে স্বাদ একেবারে তুখোড় হয়ে যায়৷ আর নারকেল স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী।
এবারের পুজোয় দুটো ছুটির দিন একসঙ্গে পড়েছে। একে রবিবার, তাও আবার গান্ধী জয়ন্তী। তাঁর মধ্যে যাঁদের গোটা পুজোয় ছুটি থাকে, তাঁদের একসঙ্গে তিনটি ছুটির বাদ যাবে। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুজোও পড়েছে রবিবার। তাই কিছুটা মন খারাপ হবে অনেক বাঙালিদেরই।
গণেশের পাশে থাকে বলে অনেকেই এটিকে গণেশের স্ত্রী বা কলা বউ বলে থাকেন। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এটি নবপত্রিকা। গণেশের মা দুর্গা। এই নবপত্রিকার আক্ষরিক অর্থ বোঝায় নয়টি পাতা। কিন্তু এখানে নয়টি উদ্ভিদ দিয়ে নবপত্রিকা গঠন করা হয়। এই নয়টি উদ্ভিদ মা দুর্গার নয়টি শক্তির প্রতীক।
আবহাওয়াবিদদের একাংশ দাবি করছেন, আকাশের খামখেয়ালিপনায় মাটি হতে পারে পুজোর আনন্দ। এই প্রসঙ্গে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আবহাওয়াবিদরা অবশ্য কিছুটা আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, 'পুজোতে এখনও এক মাস সময় বাকি। সেক্ষেত্রে এখন থেকে সেই সময় কেমন আবহাওয়া থাকবে তা বলা সম্ভব নয়। ফলে পুজোর সময় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে কিনা তা এখন থেকে কোনওভাবেই বলা সম্ভব নয়।'
এবার কলকাতাতেও তৈরি হচ্ছে হোম-স্টে। দেশের পর্যটনের একটা বড় অংশ নির্ভর করে থাকে বাংলার ওপরে। সেই জায়গা থেকে পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
সকল শুভ কর্মের ফল পেতে কুমারী পুজো করা হয়। কুমারী পূজন সম্মান, লক্ষ্মী, বিদ্যা এবং তেজ নিয়ে আসে। এটি শত্রুদের ধ্বংস, ভয়ের ধ্বংসের কারণও হয়। দেবী যতটা কুমারী পুজোয় সন্তুষ্ট হন, ততটা জপ ও তপে সন্তুষ্ট হন না।